কক্সবাজার শহরের কলাতলী এলাকায় একটি গ্যাস পাম্পে বিস্ফোরণে ঘটনা ঘটেছে এতে আহত অন্তত ১০ জন। দগ্ধ ৮ জনের অবস্থা গুরুতর বলে জানা গেছে।
বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) রাত ১০ টার দিকে কলাতলি এলাকায় এন আলম ফিলিং স্টেশন’ নামের সদ্য নির্মিত গ্যাস পাম্প টিতে এ ঘটনা ঘটে। বিস্ফোরণের আগে কয়েক ঘণ্টা ধরে গ্যাস লিকেজের কারণে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
আহতদের মধ্যে ৭ জনকে চট্টগ্রাম ও ১ জনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণে এবং বাকিদের কক্সবাজার সদর হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। তাদের নাম-পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। আহতদের মধ্যে তিনজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সন্ধ্যা ৭টার পর থেকেই পাম্প থেকে গ্যাস ছড়িয়ে পড়তে শুরু করে। প্রায় তিন ঘণ্টা ধরে গ্যাস বাতাসে মিশে আশপাশের এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। প্রায় এক কিলোমিটার এলাকা গ্যাসে আচ্ছন্ন হয়ে পড়ে। পরে স্থানীয়রা ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেন।
রাত ১০ টার দিকে হঠাৎ বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে। এতে পাম্পের বিভিন্ন স্থানে আগুন ধরে যায় এবং আশপাশের কয়েকটি স্থাপনাতেও আগুন ছড়িয়ে পড়ে। আদর্শ গ্রাম, চন্দ্রিমা হাউজিং ও জেলখানা এলাকার বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স–এর ৭ টি ইউনিট কাজ করছে। সংস্থাটির কক্সবাজার কার্যালয়ের উপসহকারী পরিচালক সৈয়দ মুহাম্মদ মোরশেদ হোসেন জানান, বাসিন্দাদের নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে এবং আগুন নিয়ন্ত্রণে সর্বাত্মক চেষ্টা চলছে।
এ ঘটনায় পুরো এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে। কলাতলী সড়কে যান চলাচল সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে কক্সবাজার সদর মডেল থানা–র ওসি ছমি উদ্দিন বলেন, পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে উৎসুক জনতাকে নিরাপদ দূরত্বে সরিয়ে রাখা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার, ০৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
কক্সবাজার শহরের কলাতলী এলাকায় একটি গ্যাস পাম্পে বিস্ফোরণে ঘটনা ঘটেছে এতে আহত অন্তত ১০ জন। দগ্ধ ৮ জনের অবস্থা গুরুতর বলে জানা গেছে।
বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) রাত ১০ টার দিকে কলাতলি এলাকায় এন আলম ফিলিং স্টেশন’ নামের সদ্য নির্মিত গ্যাস পাম্প টিতে এ ঘটনা ঘটে। বিস্ফোরণের আগে কয়েক ঘণ্টা ধরে গ্যাস লিকেজের কারণে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
আহতদের মধ্যে ৭ জনকে চট্টগ্রাম ও ১ জনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণে এবং বাকিদের কক্সবাজার সদর হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। তাদের নাম-পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। আহতদের মধ্যে তিনজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সন্ধ্যা ৭টার পর থেকেই পাম্প থেকে গ্যাস ছড়িয়ে পড়তে শুরু করে। প্রায় তিন ঘণ্টা ধরে গ্যাস বাতাসে মিশে আশপাশের এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। প্রায় এক কিলোমিটার এলাকা গ্যাসে আচ্ছন্ন হয়ে পড়ে। পরে স্থানীয়রা ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেন।
রাত ১০ টার দিকে হঠাৎ বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে। এতে পাম্পের বিভিন্ন স্থানে আগুন ধরে যায় এবং আশপাশের কয়েকটি স্থাপনাতেও আগুন ছড়িয়ে পড়ে। আদর্শ গ্রাম, চন্দ্রিমা হাউজিং ও জেলখানা এলাকার বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স–এর ৭ টি ইউনিট কাজ করছে। সংস্থাটির কক্সবাজার কার্যালয়ের উপসহকারী পরিচালক সৈয়দ মুহাম্মদ মোরশেদ হোসেন জানান, বাসিন্দাদের নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে এবং আগুন নিয়ন্ত্রণে সর্বাত্মক চেষ্টা চলছে।
এ ঘটনায় পুরো এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে। কলাতলী সড়কে যান চলাচল সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে কক্সবাজার সদর মডেল থানা–র ওসি ছমি উদ্দিন বলেন, পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে উৎসুক জনতাকে নিরাপদ দূরত্বে সরিয়ে রাখা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন