প্রতিদিনের বান্দরবান

আতঙ্কে খামারি-কৃষক

চকরিয়ায় এক রাতেই ১৪ মহিষ চুরি



চকরিয়ায় এক রাতেই ১৪ মহিষ চুরি
ছবি: সংগৃহীত

কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলায় রাতের আঁধারে গরু ও মহিষ চুরির ঘটনা বাড়ছেই। এতে কৃষক ও খামারিদের মাঝে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। চুরি ঠেকাতে অনেক এলাকায় এখন রাত জেগে খামার পাহারা দেয়া হচ্ছে। এরপরও থামছে না চোরদের দৌরাত্ম্য।

স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে সংঘবদ্ধ চোরচক্র সক্রিয় থাকলেও প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপ নেই। ফলে চোরদের তৎপরতা আরও বেড়েছে।


সর্বশেষ বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি এক রাতে উপজেলার চিরিঙ্গা ইউনিয়নের চরণদ্বীপ এলাকার একটি চিংড়িঘের সংলগ্ন খামার থেকে ১৪টি মহিষ চুরি হয়। এর মধ্যে শফি আলমের ৯টি ও আব্দুর শুক্কুরের ৫টি মহিষ রয়েছে।

এর আগে গত ৪ জানুয়ারি বরইতলী ইউনিয়নে পৃথক ঘটনায় তিন খামারির সাতটি গরু চুরি হয়। ধারাবাহিক এসব ঘটনার পর প্রান্তিক খামারিরা নিজেদের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কায় রয়েছেন।

স্থানীয় সূত্র জানায়, উপজেলার ১৮টি ইউনিয়ন ও পৌর এলাকার প্রায় সর্বত্রই অতীতে নিয়মিত গবাদিপশু চুরির ঘটনা ঘটেছে। প্রতিবারই ক্ষতিগ্রস্তরা থানায় অভিযোগ করলেও চোরচক্রকে পুরোপুরি দমন করা যায়নি। বরং সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তাদের তৎপরতা আরও সুসংগঠিত হয়েছে বলে দাবি এলাকাবাসীর।

অনেক পরিবারের জীবিকার একমাত্র সম্বল ছিল এসব গবাদিপশু। চুরি হয়ে যাওয়ায় কেউ কেউ পথে বসেছেন। অনেক এলাকায় এখন রাত জেগে খামার পাহারা দেয়া হচ্ছে। এরপরও চোরদের দৌরাত্ম্য কমছে না।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে চকরিয়া থানার ওসি মোহাম্মদ মনির হোসেন বলেন, ‘গবাদিপশু চুরি প্রতিরোধে পুলিশের নিয়মিত টহলের পাশাপাশি বিশেষ টিম কাজ করছে। চোরচক্র শনাক্তে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।’

ওসি আরও বলেন, ‘আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশের জনবল বাড়ানো প্রয়োজন এবং স্থানীয়দের সহযোগিতাও জরুরি।’

আপনার মতামত লিখুন

প্রতিদিনের বান্দরবান

বৃহস্পতিবার, ০৯ এপ্রিল ২০২৬


চকরিয়ায় এক রাতেই ১৪ মহিষ চুরি

প্রকাশের তারিখ : ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

featured Image

কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলায় রাতের আঁধারে গরু ও মহিষ চুরির ঘটনা বাড়ছেই। এতে কৃষক ও খামারিদের মাঝে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। চুরি ঠেকাতে অনেক এলাকায় এখন রাত জেগে খামার পাহারা দেয়া হচ্ছে। এরপরও থামছে না চোরদের দৌরাত্ম্য।

স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে সংঘবদ্ধ চোরচক্র সক্রিয় থাকলেও প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপ নেই। ফলে চোরদের তৎপরতা আরও বেড়েছে।


সর্বশেষ বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি এক রাতে উপজেলার চিরিঙ্গা ইউনিয়নের চরণদ্বীপ এলাকার একটি চিংড়িঘের সংলগ্ন খামার থেকে ১৪টি মহিষ চুরি হয়। এর মধ্যে শফি আলমের ৯টি ও আব্দুর শুক্কুরের ৫টি মহিষ রয়েছে।

এর আগে গত ৪ জানুয়ারি বরইতলী ইউনিয়নে পৃথক ঘটনায় তিন খামারির সাতটি গরু চুরি হয়। ধারাবাহিক এসব ঘটনার পর প্রান্তিক খামারিরা নিজেদের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কায় রয়েছেন।

স্থানীয় সূত্র জানায়, উপজেলার ১৮টি ইউনিয়ন ও পৌর এলাকার প্রায় সর্বত্রই অতীতে নিয়মিত গবাদিপশু চুরির ঘটনা ঘটেছে। প্রতিবারই ক্ষতিগ্রস্তরা থানায় অভিযোগ করলেও চোরচক্রকে পুরোপুরি দমন করা যায়নি। বরং সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তাদের তৎপরতা আরও সুসংগঠিত হয়েছে বলে দাবি এলাকাবাসীর।

অনেক পরিবারের জীবিকার একমাত্র সম্বল ছিল এসব গবাদিপশু। চুরি হয়ে যাওয়ায় কেউ কেউ পথে বসেছেন। অনেক এলাকায় এখন রাত জেগে খামার পাহারা দেয়া হচ্ছে। এরপরও চোরদের দৌরাত্ম্য কমছে না।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে চকরিয়া থানার ওসি মোহাম্মদ মনির হোসেন বলেন, ‘গবাদিপশু চুরি প্রতিরোধে পুলিশের নিয়মিত টহলের পাশাপাশি বিশেষ টিম কাজ করছে। চোরচক্র শনাক্তে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।’

ওসি আরও বলেন, ‘আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশের জনবল বাড়ানো প্রয়োজন এবং স্থানীয়দের সহযোগিতাও জরুরি।’


প্রতিদিনের বান্দরবান

সম্পাদক ও প্রকাশকের কার্যালয়ঃ
কপিরাইট © ২০২৬ প্রতিদিনের বান্দরবান । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত