প্রতিদিনের বান্দরবান

লামায় দুই ইটভাটাকে ৫ লাখ টাকা জরিমানা



লামায় দুই ইটভাটাকে ৫ লাখ টাকা জরিমানা
ছবি: প্রতিদিনের বান্দরবান

বান্দরবানের লামা উপজেলায় অবৈধ কার্যক্রম ও পরিবেশগত অনিয়মের অভিযোগে দুই ইটভাটায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো: মঈন উদ্দিন।

শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে কেবিসি ও বিবিএম নামের দুটি ইটভাটায় এই অভিযান পরিচালিত হয়।


এসময় আইন পরিপন্থী বিভিন্ন অনিয়মের ভিত্তিতে পরিবেশ সংরক্ষণ আইন ও ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন নিয়ন্ত্রণ আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় কেবিসি ইটভাটাকে ৩ লাখ টাকা এবং বিবিএম ইটভাটাকে ২ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।

স্থানীয়দের অভিযোগ, এখানকার অধিকাংশ ইটভাটা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, লোকালয় ও বনাঞ্চলের কাছাকাছি স্থাপন করা হয়েছে। ফলে ধোঁয়া ও ধুলাবালির কারণে স্কুলপড়ুয়া শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষ শ্বাসকষ্ট, কাশি, চোখ জ্বালা ও অ্যালার্জিতে ভুগছেন। বিশেষ করে বয়স্কদের মধ্যে হাঁপানি, ফুসফুসের সমস্যা ও হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ছে। পরিবেশবাদীদের মতে, এসব ভাটার ধোঁয়া ও রাসায়নিক নির্গমনের কারণে মাটি উর্বরতা হারাচ্ছে, কৃষি উৎপাদন কমে যাচ্ছে এবং পাখি ও ক্ষুদ্র প্রাণী তাদের প্রাকৃতিক আবাসস্থল হারাচ্ছে। এতে স্থানীয় জীববৈচিত্র্য মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

তবে স্থানীয়দের ধারণা, ইটভাটায় জ্বালানি কাঠ সরবরাহ বন্ধ করা গেলে এসব ভাটা বন্ধ করা সম্ভব। এর আগে মহামান্য হাইকোর্টের নির্দেশে ৬টি ইটভাটা গুড়িয়ে দেওয়া হলেও পরে সেগুলো নতুন করে চালু করেছেন মালিকরা।

লামা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মঈন উদ্দিন বলেন, বান্দরবান জেলা প্রশাসকের নির্দেশে ফাইতং এলাকায় ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন (নিয়ন্ত্রণ) (সংশোধন) আইন, ২০১৯-এর ৬ ধারায় দুটি ইটভাটাকে মোট ৫ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। অবৈধ ইটভাটার বিরুদ্ধে উপজেলা প্রশাসনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন

প্রতিদিনের বান্দরবান

বৃহস্পতিবার, ০৯ এপ্রিল ২০২৬


লামায় দুই ইটভাটাকে ৫ লাখ টাকা জরিমানা

প্রকাশের তারিখ : ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

featured Image

বান্দরবানের লামা উপজেলায় অবৈধ কার্যক্রম ও পরিবেশগত অনিয়মের অভিযোগে দুই ইটভাটায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো: মঈন উদ্দিন।


শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে কেবিসি ও বিবিএম নামের দুটি ইটভাটায় এই অভিযান পরিচালিত হয়।


এসময় আইন পরিপন্থী বিভিন্ন অনিয়মের ভিত্তিতে পরিবেশ সংরক্ষণ আইন ও ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন নিয়ন্ত্রণ আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় কেবিসি ইটভাটাকে ৩ লাখ টাকা এবং বিবিএম ইটভাটাকে ২ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।


স্থানীয়দের অভিযোগ, এখানকার অধিকাংশ ইটভাটা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, লোকালয় ও বনাঞ্চলের কাছাকাছি স্থাপন করা হয়েছে। ফলে ধোঁয়া ও ধুলাবালির কারণে স্কুলপড়ুয়া শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষ শ্বাসকষ্ট, কাশি, চোখ জ্বালা ও অ্যালার্জিতে ভুগছেন। বিশেষ করে বয়স্কদের মধ্যে হাঁপানি, ফুসফুসের সমস্যা ও হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ছে। পরিবেশবাদীদের মতে, এসব ভাটার ধোঁয়া ও রাসায়নিক নির্গমনের কারণে মাটি উর্বরতা হারাচ্ছে, কৃষি উৎপাদন কমে যাচ্ছে এবং পাখি ও ক্ষুদ্র প্রাণী তাদের প্রাকৃতিক আবাসস্থল হারাচ্ছে। এতে স্থানীয় জীববৈচিত্র্য মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।


তবে স্থানীয়দের ধারণা, ইটভাটায় জ্বালানি কাঠ সরবরাহ বন্ধ করা গেলে এসব ভাটা বন্ধ করা সম্ভব। এর আগে মহামান্য হাইকোর্টের নির্দেশে ৬টি ইটভাটা গুড়িয়ে দেওয়া হলেও পরে সেগুলো নতুন করে চালু করেছেন মালিকরা।


লামা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মঈন উদ্দিন বলেন, বান্দরবান জেলা প্রশাসকের নির্দেশে ফাইতং এলাকায় ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন (নিয়ন্ত্রণ) (সংশোধন) আইন, ২০১৯-এর ৬ ধারায় দুটি ইটভাটাকে মোট ৫ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। অবৈধ ইটভাটার বিরুদ্ধে উপজেলা প্রশাসনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।




প্রতিদিনের বান্দরবান

সম্পাদক ও প্রকাশকের কার্যালয়ঃ
কপিরাইট © ২০২৬ প্রতিদিনের বান্দরবান । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত