প্রতিদিনের বান্দরবান

তার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজিসহ একাধিক অভিযোগ

রাউজানে যুবদলকর্মীকে জনতার গণপিটুনী



রাউজানে যুবদলকর্মীকে জনতার গণপিটুনী
ছবি: সংগৃহীত

চট্টগ্রামের রাউজানে মো. আমান উল্লাহ নামে এক যুবদলকর্মীকে গণপিটুনী দিয়েছে বিক্ষুব্ধ জনতা। আজ সোমবার বিকালে রাউজান উপজেলার ডবুয়া ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের হাদাগাজী বাড়ি সংলগ্ন সড়কে এই গণপিটুনী দেওয়া হয়।

গণপিটুনীর শিকার যুবদল নেতা আমান ওই এলাকার মো. শাহ আলমের ছেলে। স্থানীয় সূত্র মতে, আমান উল্লাহ সিএনজি চালিত অটোরিকশা চালতেন। ৫ আগস্টের পর নিজেকে যুবদল নেতা পরিচয় দিয়ে মানুষকে হয়রানি করতো। চাঁদাবাজি করে কখনো মানুষকে মারধর, কখনো মাথা ফাটানো আবার কখনো কারো সিএনজি অটোরিকশা অগ্নিসংযোগ করেছিল।

স্থানীয় মানুষ ক্ষুব্ধ হয়ে সোমবার বিকালে তাকে গণপিটুনী দেয়। তাকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে রাউজান উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। উন্নত চিকিৎসার জন্য রাত সাড়ে ৮টায় চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠান কর্তব্যরত চিকিৎসক।

স্থানীয়দের বরাতে রাউজান থানার সেকেন্ড অফিসার আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, আমান উল্লাহ নাকি চিহ্নিত সন্ত্রাসী, টাকা চায় মানুষের কাছ থেকে। তাকে নাকি কে বা কারা মারধর করছে। স্থানীয় চেয়ারম্যান ফোন দেওয়ার পর পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়, মারধর করায় তাকে চিকিৎসা করানো জন্য স্থানীয়দের মাধ্যমে হাসপাতালে পাঠায়।

আপনার মতামত লিখুন

প্রতিদিনের বান্দরবান

বৃহস্পতিবার, ০৯ এপ্রিল ২০২৬


রাউজানে যুবদলকর্মীকে জনতার গণপিটুনী

প্রকাশের তারিখ : ০২ মার্চ ২০২৬

featured Image

চট্টগ্রামের রাউজানে মো. আমান উল্লাহ নামে এক যুবদলকর্মীকে গণপিটুনী দিয়েছে বিক্ষুব্ধ জনতা। আজ সোমবার বিকালে রাউজান উপজেলার ডবুয়া ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের হাদাগাজী বাড়ি সংলগ্ন সড়কে এই গণপিটুনী দেওয়া হয়।


গণপিটুনীর শিকার যুবদল নেতা আমান ওই এলাকার মো. শাহ আলমের ছেলে। স্থানীয় সূত্র মতে, আমান উল্লাহ সিএনজি চালিত অটোরিকশা চালতেন। ৫ আগস্টের পর নিজেকে যুবদল নেতা পরিচয় দিয়ে মানুষকে হয়রানি করতো। চাঁদাবাজি করে কখনো মানুষকে মারধর, কখনো মাথা ফাটানো আবার কখনো কারো সিএনজি অটোরিকশা অগ্নিসংযোগ করেছিল।


স্থানীয় মানুষ ক্ষুব্ধ হয়ে সোমবার বিকালে তাকে গণপিটুনী দেয়। তাকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে রাউজান উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। উন্নত চিকিৎসার জন্য রাত সাড়ে ৮টায় চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠান কর্তব্যরত চিকিৎসক।


স্থানীয়দের বরাতে রাউজান থানার সেকেন্ড অফিসার আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, আমান উল্লাহ নাকি চিহ্নিত সন্ত্রাসী, টাকা চায় মানুষের কাছ থেকে। তাকে নাকি কে বা কারা মারধর করছে। স্থানীয় চেয়ারম্যান ফোন দেওয়ার পর পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়, মারধর করায় তাকে চিকিৎসা করানো জন্য স্থানীয়দের মাধ্যমে হাসপাতালে পাঠায়।


প্রতিদিনের বান্দরবান

সম্পাদক ও প্রকাশকের কার্যালয়ঃ
কপিরাইট © ২০২৬ প্রতিদিনের বান্দরবান । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত