রাঙামাটি সদর উপজেলায় মিনি স্টেডিয়াম নির্মাণে অনিয়ম ও অর্থ লোপাটের অভিযোগের প্রেক্ষিতে তদন্তের আশ্বাস দিয়েছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান। বুধবার (৪ মার্চ) জেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এ বিষয়ে তাঁর দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তিনি বলেন, স্টেডিয়ামের উন্নয়ন বা নির্মাণের নামে অর্থ লোপাট কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। এটি অত্যন্ত দুঃখজনক ও নিন্দনীয় ঘটনা।
মন্ত্রী স্পষ্ট করে জানান, দুর্নীতির প্রশ্নে সরকারের অবস্থান একেবারেই পরিষ্কার—“জিরো টলারেন্স”। এ বিষয়ে ক্রীড়া মন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলে দ্রুত তদন্তের ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং দোষীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
তিনি আরও বলেন, ক্রীড়াঙ্গনে কোনো ধরনের অনিয়ম বা দুর্নীতি বরদাশত করা হবে না। বছরব্যাপী ক্রীড়াঙ্গনকে সক্রিয় রাখতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে। খেলাধুলার পরিবেশ সচল ও প্রাণবন্ত রাখা সরকারের অঙ্গীকার। ক্রীড়াঙ্গনের স্থবিরতা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।
মন্ত্রী আশ্বস্ত করে বলেন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করেই কাজ করা হবে।
সভায় সাংবাদিকরা অভিযোগ করেন, ২০১৭ সালে রাঙামাটি সদরে একটি মিনি স্টেডিয়াম নির্মাণের নামে অনিয়ম ও অর্থ লোপাটের ঘটনা ঘটে। অভিযোগ অনুযায়ী, তৎকালীন জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক ও একজন সহ-সভাপতি সরাসরি এ অনিয়মের সঙ্গে জড়িত ছিলেন।
সংশ্লিষ্ট দপ্তরে অভিযোগ জানানো হলেও দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি হয়নি বলে দাবি করা হয়। স্টেডিয়ামটি কোথায় নির্মিত হয়েছে, প্রকল্প ব্যয় কত ছিল এবং বাস্তবে কী কাজ সম্পন্ন হয়েছে—এসব বিষয়ে এখনো স্পষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি বলেও সাংবাদিকরা উল্লেখ করেন।
এ বিষয়ে মন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তিনি বলেন, তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত তথ্য উদঘাটন করা হবে এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বৃহস্পতিবার, ০৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ মার্চ ২০২৬
রাঙামাটি সদর উপজেলায় মিনি স্টেডিয়াম নির্মাণে অনিয়ম ও অর্থ লোপাটের অভিযোগের প্রেক্ষিতে তদন্তের আশ্বাস দিয়েছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান। বুধবার (৪ মার্চ) জেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এ বিষয়ে তাঁর দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তিনি বলেন, স্টেডিয়ামের উন্নয়ন বা নির্মাণের নামে অর্থ লোপাট কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। এটি অত্যন্ত দুঃখজনক ও নিন্দনীয় ঘটনা।
মন্ত্রী স্পষ্ট করে জানান, দুর্নীতির প্রশ্নে সরকারের অবস্থান একেবারেই পরিষ্কার—“জিরো টলারেন্স”। এ বিষয়ে ক্রীড়া মন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলে দ্রুত তদন্তের ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং দোষীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
তিনি আরও বলেন, ক্রীড়াঙ্গনে কোনো ধরনের অনিয়ম বা দুর্নীতি বরদাশত করা হবে না। বছরব্যাপী ক্রীড়াঙ্গনকে সক্রিয় রাখতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে। খেলাধুলার পরিবেশ সচল ও প্রাণবন্ত রাখা সরকারের অঙ্গীকার। ক্রীড়াঙ্গনের স্থবিরতা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।
মন্ত্রী আশ্বস্ত করে বলেন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করেই কাজ করা হবে।
সভায় সাংবাদিকরা অভিযোগ করেন, ২০১৭ সালে রাঙামাটি সদরে একটি মিনি স্টেডিয়াম নির্মাণের নামে অনিয়ম ও অর্থ লোপাটের ঘটনা ঘটে। অভিযোগ অনুযায়ী, তৎকালীন জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক ও একজন সহ-সভাপতি সরাসরি এ অনিয়মের সঙ্গে জড়িত ছিলেন।
সংশ্লিষ্ট দপ্তরে অভিযোগ জানানো হলেও দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি হয়নি বলে দাবি করা হয়। স্টেডিয়ামটি কোথায় নির্মিত হয়েছে, প্রকল্প ব্যয় কত ছিল এবং বাস্তবে কী কাজ সম্পন্ন হয়েছে—এসব বিষয়ে এখনো স্পষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি বলেও সাংবাদিকরা উল্লেখ করেন।
এ বিষয়ে মন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তিনি বলেন, তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত তথ্য উদঘাটন করা হবে এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন