প্রতিদিনের বান্দরবান

বান্দরবানে প্রথম ধাপে ১০৯৭ পরিবার পাচ্ছেন ফ্যামিলি কার্ড



বান্দরবানে প্রথম ধাপে ১০৯৭ পরিবার পাচ্ছেন ফ্যামিলি কার্ড
ছবি: প্রতিদিনের বান্দরবান

বান্দরবানের লামায় পাইলট প্রকল্পের প্রথম ধাপে এক হাজার ৯৭ পরিবার পাচ্ছেন ফ্যামিলি কার্ড। মঙ্গলবার (১০ মার্চ) উপজেলার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ড এলাকায় কর্মসূচি উদ্বোধন করবেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী অ্যাডভোকেট দীপেন দেওয়ান।

রোববার (৮মার্চ) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বান্দরবান জেলা প্রশাসক শামীম আরা রিনি।

জেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, সারাদেশে ১০ মার্চ থেকে শুরু হওয়া এ কর্মসূচিতে ভূমিহীন, প্রতিবন্ধী, তৃতীয় লিঙ্গ, বেদে, ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠী ও কম জমির মালিক পরিবারগুলো এ ফ্যামিলি কার্ড পেতে অগ্রাধিকার পাবে। কার্ডধারী পরিবারকে মাসে ২ হাজার ৫০০ টাকা বা সমমূল্যের নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সরবরাহ করে হতদরিদ্র পরিবারের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে।

লামা উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মঈন উদ্দিন বলেন, প্রথম ধাপে লামা উপজেলার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে এক হাজার ২৭৪ পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করা হয়। তবে ১৩৮ পরিবারের জাতীয় পরিচয় (এনআইডি) পত্র না থাকায় তাদের তালিকা থেকে যাচাই-বাছাই করার সময় বাদ দেওয়া হয়। পরে অবশিষ্ট এক হাজার ৯৭ পরিবারকে চূড়ান্তভাবে বাছাই করে কেন্দ্রীয় ফ্যামিলি কার্ড বাছাই কমিটির কাছে পাঠানো হয়েছে। বান্দরবান পার্বত্য জেলায় ১১টি পাহাড়ি জনগোষ্ঠীসহ ১২টি জাতিগোষ্ঠীর বসবাস রয়েছে।

জেলা প্রশাসক শামীম আরা রিনি জানান, সরকার দেশের প্রান্তিক, হতদরিদ্র ও নিম্নবিত্ত পরিবারগুলোর খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং নারীদের অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নের জন্য ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি চালু করতে যাচ্ছে। এ কার্ডের মাধ্যমে প্রতিটি কার্ডধারী পরিবার প্রতি মাসে ২ হাজার ৫০০ টাকা সরাসরি নগদ সহায়তা অথবা সমমূল্যের টিসিবি পণ্য পাবে।

আপনার মতামত লিখুন

প্রতিদিনের বান্দরবান

বৃহস্পতিবার, ০৯ এপ্রিল ২০২৬


বান্দরবানে প্রথম ধাপে ১০৯৭ পরিবার পাচ্ছেন ফ্যামিলি কার্ড

প্রকাশের তারিখ : ০৯ মার্চ ২০২৬

featured Image

বান্দরবানের লামায় পাইলট প্রকল্পের প্রথম ধাপে এক হাজার ৯৭ পরিবার পাচ্ছেন ফ্যামিলি কার্ড। মঙ্গলবার (১০ মার্চ) উপজেলার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ড এলাকায় কর্মসূচি উদ্বোধন করবেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী অ্যাডভোকেট দীপেন দেওয়ান।


রোববার (৮মার্চ) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বান্দরবান জেলা প্রশাসক শামীম আরা রিনি।


জেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, সারাদেশে ১০ মার্চ থেকে শুরু হওয়া এ কর্মসূচিতে ভূমিহীন, প্রতিবন্ধী, তৃতীয় লিঙ্গ, বেদে, ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠী ও কম জমির মালিক পরিবারগুলো এ ফ্যামিলি কার্ড পেতে অগ্রাধিকার পাবে। কার্ডধারী পরিবারকে মাসে ২ হাজার ৫০০ টাকা বা সমমূল্যের নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সরবরাহ করে হতদরিদ্র পরিবারের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে।


লামা উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মঈন উদ্দিন বলেন, প্রথম ধাপে লামা উপজেলার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে এক হাজার ২৭৪ পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করা হয়। তবে ১৩৮ পরিবারের জাতীয় পরিচয় (এনআইডি) পত্র না থাকায় তাদের তালিকা থেকে যাচাই-বাছাই করার সময় বাদ দেওয়া হয়। পরে অবশিষ্ট এক হাজার ৯৭ পরিবারকে চূড়ান্তভাবে বাছাই করে কেন্দ্রীয় ফ্যামিলি কার্ড বাছাই কমিটির কাছে পাঠানো হয়েছে। বান্দরবান পার্বত্য জেলায় ১১টি পাহাড়ি জনগোষ্ঠীসহ ১২টি জাতিগোষ্ঠীর বসবাস রয়েছে।


জেলা প্রশাসক শামীম আরা রিনি জানান, সরকার দেশের প্রান্তিক, হতদরিদ্র ও নিম্নবিত্ত পরিবারগুলোর খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং নারীদের অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নের জন্য ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি চালু করতে যাচ্ছে। এ কার্ডের মাধ্যমে প্রতিটি কার্ডধারী পরিবার প্রতি মাসে ২ হাজার ৫০০ টাকা সরাসরি নগদ সহায়তা অথবা সমমূল্যের টিসিবি পণ্য পাবে।


প্রতিদিনের বান্দরবান

সম্পাদক ও প্রকাশকের কার্যালয়ঃ
কপিরাইট © ২০২৬ প্রতিদিনের বান্দরবান । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত