বান্দরবানে সদরের বালাঘাটার বাকিছড়া এলাকায় প্রশাসনের নাম ভাঙ্গিয়ে অবাদে চলছে ভুমি রুপান্তরের মহোৎসব। এসব মাটি কাটায় ইউএনও ও পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্তারা মৌখিক অনুমতি দিয়েছেন বলে জানান খননকারী আবু তৈয়ব।
স্থানীয়রা জানান, বালাঘাটার বাকিছড়া এলাকায় মাছের প্রজেক্ট তৈরি করার নামে দীর্ঘদিন ধরে পাশাপাশি দুইটি স্থানে অবাদে মাটি কেটে যাচ্ছে আবু তৈয়ব নামে স্থানীয় এক ব্যাক্তি। ইতি মধ্যে প্রায় ৫০ শতকেরও বেশি আবাদি জমির মাটি কেটে ফেলা হয়েছে। এসব মাটি কাটতে আবু তৈয়ব উপজেলা প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তরের মৌখিক অনুমোদন নেয়ার কথা বলে কিন্তু প্রকৃতপক্ষে নেয়া হয়নি কোন প্রকার সরকারী অনুমোদন।
এবিষয়ে জানতে চাইলে আবু তৈয়ব বলেন, মাটি কেটে প্রজেক্ট তৈরি করতে ইউএনও ম্যাডাম ও পরিবেশ অধিদপ্তরের সাথে কথা বলে তাদের মৌখিক অনুমোদন নিয়ে মাটি কাটা হচ্ছে।
বান্দরবান পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক রেজাউল করিম বলেন, ভুমি রুপান্তরের অনুমতি দেয়ার এখতিয়ার তাদের নেই এবং এবিষয়ে কারও সাথে কোন প্রকার আলাপ হয়নি।
এ বিষয়ে জানতে বান্দরবান সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মারুফা সুলতানা খান হীরামনিকে একাধিক বার মুঠোফোনে কল ও ক্ষুদে বার্তা পাঠিয়েও যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
বান্দরবান সদরের সহকারী কমিশনার (ভূমি), আবু সালেহ মো.আরমান ভূঁইয়া জানান, ভূমির টপ সয়েল পরিবর্তনের ক্ষেত্রে সরকারি অনুমোদন নেয়ার প্রয়োজন রয়েছে, বিষয়টি জেনে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

বৃহস্পতিবার, ০৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ মার্চ ২০২৬
বান্দরবানে সদরের বালাঘাটার বাকিছড়া এলাকায় প্রশাসনের নাম ভাঙ্গিয়ে অবাদে চলছে ভুমি রুপান্তরের মহোৎসব। এসব মাটি কাটায় ইউএনও ও পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্তারা মৌখিক অনুমতি দিয়েছেন বলে জানান খননকারী আবু তৈয়ব।
স্থানীয়রা জানান, বালাঘাটার বাকিছড়া এলাকায় মাছের প্রজেক্ট তৈরি করার নামে দীর্ঘদিন ধরে পাশাপাশি দুইটি স্থানে অবাদে মাটি কেটে যাচ্ছে আবু তৈয়ব নামে স্থানীয় এক ব্যাক্তি। ইতি মধ্যে প্রায় ৫০ শতকেরও বেশি আবাদি জমির মাটি কেটে ফেলা হয়েছে। এসব মাটি কাটতে আবু তৈয়ব উপজেলা প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তরের মৌখিক অনুমোদন নেয়ার কথা বলে কিন্তু প্রকৃতপক্ষে নেয়া হয়নি কোন প্রকার সরকারী অনুমোদন।
এবিষয়ে জানতে চাইলে আবু তৈয়ব বলেন, মাটি কেটে প্রজেক্ট তৈরি করতে ইউএনও ম্যাডাম ও পরিবেশ অধিদপ্তরের সাথে কথা বলে তাদের মৌখিক অনুমোদন নিয়ে মাটি কাটা হচ্ছে।
বান্দরবান পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক রেজাউল করিম বলেন, ভুমি রুপান্তরের অনুমতি দেয়ার এখতিয়ার তাদের নেই এবং এবিষয়ে কারও সাথে কোন প্রকার আলাপ হয়নি।
এ বিষয়ে জানতে বান্দরবান সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মারুফা সুলতানা খান হীরামনিকে একাধিক বার মুঠোফোনে কল ও ক্ষুদে বার্তা পাঠিয়েও যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
বান্দরবান সদরের সহকারী কমিশনার (ভূমি), আবু সালেহ মো.আরমান ভূঁইয়া জানান, ভূমির টপ সয়েল পরিবর্তনের ক্ষেত্রে সরকারি অনুমোদন নেয়ার প্রয়োজন রয়েছে, বিষয়টি জেনে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন