বান্দরবানের আলীকদম উপজেলাকে বাংলাদেশের ৬৫তম জেলা এবং একটি পরিকল্পিত ‘গ্রীন সিটি জেলা’ হিসেবে উন্নীত করার দাবিতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে।
গ্রীন পলিসি মুভমেন্টের আহ্বায়ক মোঃ মহিউদ্দিন (বন্ধু) এই স্মারকলিপি উপস্থাপন করেন। চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয় থেকে স্মারকলিপিটি ন্যাশনাল ইমপ্লিমেন্টেশন কমিটি ফর অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ রিফর্ম (নিকার)-এর আহ্বায়ক এবং প্রধানমন্ত্রীর সদয় অবগতি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিবের কাছে অগ্রাহায়ণ করা হয়।
স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, ভৌগোলিক বিস্তৃতি, প্রশাসনিক গুরুত্ব এবং ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার কারণে আলীকদমকে জেলা হিসেবে উন্নীত করা সময়োপযোগী ও যৌক্তিক পদক্ষেপ হবে। বর্তমানে জেলা সদর থেকে দীর্ঘ দূরত্ব ও যোগাযোগ সমস্যার কারণে স্থানীয় জনগণকে বিভিন্ন সরকারি সেবা গ্রহণে ভোগান্তির মুখোমুখি হতে হয়। আলীকদমকে জেলা করা হলে প্রশাসনিক সেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া সহজ হবে এবং পার্বত্য অঞ্চলের উন্নয়ন আরও ত্বরান্বিত হবে।
প্রস্তাবনায় আলীকদমকে একটি পরিকল্পিত “গ্রীন সিটি জেলা” হিসেবে গড়ে তোলার বিষয়টিও গুরুত্বের সাথে তুলে ধরা হয়েছে। এতে পরিবেশবান্ধব নগর পরিকল্পনা, আধুনিক প্রশাসনিক অবকাঠামো, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠান, সবুজ উন্মুক্ত পার্ক, ইকো-ট্যুরিজম জোন এবং সোলার এনার্জিভিত্তিক টেকসই উন্নয়ন কাঠামো গড়ে তোলার কথা উল্লেখ করা হয়।
স্মারকলিপিতে আরও বলা হয়, লামা উপজেলার ভৌগোলিক ও প্রশাসনিক সুবিধা বিবেচনায় লামা থেকে নতুন একটি উপজেলা (সরই/গজালিয়া/আজিজনগর) সৃষ্টির প্রস্তাব করা হয়েছে। একইসঙ্গে প্রস্তাবিত “আলীকদম জেলা”র অন্তর্ভুক্ত হিসেবে আলীকদম, থানচি, নাইক্ষ্যংছড়ি, লামা, প্রস্তাবিত সরই/গজালিয়া/আজিজনগর এবং নাইক্ষ্যংছড়ি থেকে প্রস্তাবিত বাইশারী উপজেলাকে অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে বর্তমান বান্দরবান জেলার অন্তর্ভুক্ত হিসেবে বান্দরবান সদর, রুমা ও বোয়াংছড়ির পাশাপাশি প্রশাসনিক সুবিধার্থে রাঙ্গামাটি জেলার জুরাছড়ি, বিলাইছড়ি ও বরকল উপজেলাকে পুনর্বিন্যাসের প্রস্তাব করা হয়েছে।
উদ্যোক্তারা আশা প্রকাশ করেন, প্রস্তাবটি নিকার সভায় উপস্থাপনের মাধ্যমে সরকারের উচ্চপর্যায়ে ইতিবাচকভাবে বিবেচিত হবে এবং পার্বত্য অঞ্চলের উন্নয়নে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।

বৃহস্পতিবার, ০৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ মার্চ ২০২৬
বান্দরবানের আলীকদম উপজেলাকে বাংলাদেশের ৬৫তম জেলা এবং একটি পরিকল্পিত ‘গ্রীন সিটি জেলা’ হিসেবে উন্নীত করার দাবিতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে।
গ্রীন পলিসি মুভমেন্টের আহ্বায়ক মোঃ মহিউদ্দিন (বন্ধু) এই স্মারকলিপি উপস্থাপন করেন। চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয় থেকে স্মারকলিপিটি ন্যাশনাল ইমপ্লিমেন্টেশন কমিটি ফর অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ রিফর্ম (নিকার)-এর আহ্বায়ক এবং প্রধানমন্ত্রীর সদয় অবগতি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিবের কাছে অগ্রাহায়ণ করা হয়।
স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, ভৌগোলিক বিস্তৃতি, প্রশাসনিক গুরুত্ব এবং ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার কারণে আলীকদমকে জেলা হিসেবে উন্নীত করা সময়োপযোগী ও যৌক্তিক পদক্ষেপ হবে। বর্তমানে জেলা সদর থেকে দীর্ঘ দূরত্ব ও যোগাযোগ সমস্যার কারণে স্থানীয় জনগণকে বিভিন্ন সরকারি সেবা গ্রহণে ভোগান্তির মুখোমুখি হতে হয়। আলীকদমকে জেলা করা হলে প্রশাসনিক সেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া সহজ হবে এবং পার্বত্য অঞ্চলের উন্নয়ন আরও ত্বরান্বিত হবে।
প্রস্তাবনায় আলীকদমকে একটি পরিকল্পিত “গ্রীন সিটি জেলা” হিসেবে গড়ে তোলার বিষয়টিও গুরুত্বের সাথে তুলে ধরা হয়েছে। এতে পরিবেশবান্ধব নগর পরিকল্পনা, আধুনিক প্রশাসনিক অবকাঠামো, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠান, সবুজ উন্মুক্ত পার্ক, ইকো-ট্যুরিজম জোন এবং সোলার এনার্জিভিত্তিক টেকসই উন্নয়ন কাঠামো গড়ে তোলার কথা উল্লেখ করা হয়।
স্মারকলিপিতে আরও বলা হয়, লামা উপজেলার ভৌগোলিক ও প্রশাসনিক সুবিধা বিবেচনায় লামা থেকে নতুন একটি উপজেলা (সরই/গজালিয়া/আজিজনগর) সৃষ্টির প্রস্তাব করা হয়েছে। একইসঙ্গে প্রস্তাবিত “আলীকদম জেলা”র অন্তর্ভুক্ত হিসেবে আলীকদম, থানচি, নাইক্ষ্যংছড়ি, লামা, প্রস্তাবিত সরই/গজালিয়া/আজিজনগর এবং নাইক্ষ্যংছড়ি থেকে প্রস্তাবিত বাইশারী উপজেলাকে অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে বর্তমান বান্দরবান জেলার অন্তর্ভুক্ত হিসেবে বান্দরবান সদর, রুমা ও বোয়াংছড়ির পাশাপাশি প্রশাসনিক সুবিধার্থে রাঙ্গামাটি জেলার জুরাছড়ি, বিলাইছড়ি ও বরকল উপজেলাকে পুনর্বিন্যাসের প্রস্তাব করা হয়েছে।
উদ্যোক্তারা আশা প্রকাশ করেন, প্রস্তাবটি নিকার সভায় উপস্থাপনের মাধ্যমে সরকারের উচ্চপর্যায়ে ইতিবাচকভাবে বিবেচিত হবে এবং পার্বত্য অঞ্চলের উন্নয়নে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।

আপনার মতামত লিখুন