প্রতিদিনের বান্দরবান

ইতেকাফে নামাজরত অবস্থায় সাবেক পুলিশ সদস্যের মৃত্যু



ইতেকাফে নামাজরত অবস্থায় সাবেক পুলিশ সদস্যের মৃত্যু
ছবি: সংগৃহীত

কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার পীরযাত্রাপুর ইউনিয়নের সাদকপুর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে ইতেকাফে থাকা অবস্থায় এশার নামাজ আদায়রত হারুনুর রশিদ (৮০) নামে এক মুসল্লির মৃত্যু হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) রাত ৮টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। নিহত হারুনুর রশিদ সাদকপুর মাস্টার বাড়ির বাসিন্দা ও বাংলাদেশ পুলিশের অবসরপ্রাপ্ত সদস্য ছিলেন।

সাদকপুর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের ইমাম হাফেজ আবুল খায়ের ও প্রত্যক্ষদর্শী ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আবু তাহেরের ছেলে সাইফুল ইসলাম বাদল বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তারা জানান, মাহে রমজানের শেষ দশকে ইতেকাফ পালনের জন্য হারুনুর রশিদ মসজিদে অবস্থান করছিলেন। বৃহস্পতিবার সারাদিন রোজা রেখে ইফতার করার পর এশার নামাজ আদায় করতে দাঁড়ান তিনি। দুই রাকাত সুন্নত নামাজ শেষ করার পর হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং মসজিদের ভেতরেই মারা যান।

নিহতের বড় মেয়ের জামাতা কাজী মো. সেফাউল করিম জানান, ইতেকাফ অবস্থায় এশার নামাজ পড়ার সময় তার শ্বশুরের মৃত্যু হয়।

মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, তিন মেয়ে ও এক ছেলেসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।তার আকস্মিক মৃত্যুতে পরিবার ও এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে

আপনার মতামত লিখুন

প্রতিদিনের বান্দরবান

বৃহস্পতিবার, ০৯ এপ্রিল ২০২৬


ইতেকাফে নামাজরত অবস্থায় সাবেক পুলিশ সদস্যের মৃত্যু

প্রকাশের তারিখ : ১৩ মার্চ ২০২৬

featured Image

কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার পীরযাত্রাপুর ইউনিয়নের সাদকপুর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে ইতেকাফে থাকা অবস্থায় এশার নামাজ আদায়রত হারুনুর রশিদ (৮০) নামে এক মুসল্লির মৃত্যু হয়েছে।


বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) রাত ৮টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। নিহত হারুনুর রশিদ সাদকপুর মাস্টার বাড়ির বাসিন্দা ও বাংলাদেশ পুলিশের অবসরপ্রাপ্ত সদস্য ছিলেন।


সাদকপুর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের ইমাম হাফেজ আবুল খায়ের ও প্রত্যক্ষদর্শী ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আবু তাহেরের ছেলে সাইফুল ইসলাম বাদল বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তারা জানান, মাহে রমজানের শেষ দশকে ইতেকাফ পালনের জন্য হারুনুর রশিদ মসজিদে অবস্থান করছিলেন। বৃহস্পতিবার সারাদিন রোজা রেখে ইফতার করার পর এশার নামাজ আদায় করতে দাঁড়ান তিনি। দুই রাকাত সুন্নত নামাজ শেষ করার পর হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং মসজিদের ভেতরেই মারা যান।


নিহতের বড় মেয়ের জামাতা কাজী মো. সেফাউল করিম জানান, ইতেকাফ অবস্থায় এশার নামাজ পড়ার সময় তার শ্বশুরের মৃত্যু হয়।


মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, তিন মেয়ে ও এক ছেলেসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।তার আকস্মিক মৃত্যুতে পরিবার ও এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে


প্রতিদিনের বান্দরবান

সম্পাদক ও প্রকাশকের কার্যালয়ঃ
কপিরাইট © ২০২৬ প্রতিদিনের বান্দরবান । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত