প্রতিদিনের বান্দরবান

বান্দরবানে শুরু হচ্ছে গঙ্গাপূজা ও মহাপূর্ন্য বারুণী স্নান



বান্দরবানে শুরু হচ্ছে গঙ্গাপূজা ও মহাপূর্ন্য বারুণী স্নান
ছবি: সংগৃহীত

প্রতি বছরের মতো এবারও মধুকৃষ্ণা ত্রয়োদশী তিথি উপলক্ষে বান্দরবান পৌরসভার চৌধুরী মার্কেট সংলগ্ন সাঙ্গু নদীর তীরে অনুষ্টিত হতে যাচ্ছে সনাতন ধর্মালম্বীদের অন্যতম ধর্মীয় অনুষ্ঠান শ্রী শ্রী গঙ্গাপূজা ও মহাপূণ্য বারুণী স্নান। আগামী ১৬-১৮ মার্চ পর্যন্ত তিন দিন এ অনুষ্ঠান চলমান থাকবে বলে জানিয়েছে আয়োজকেরা।

আয়োজকেরা জানান, ধর্মীয় রিতি-নীতি ও সনাতন ধর্মালম্বীরা বিশ্বাস করেন এই তিথিতে পবিত্র গঙ্গা স্নান করলে জীবনের সকল পাপ, গ্লানী, দুঃখ দুর্দশা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়, ফলে পবিত্র গঙ্গা নদীসহ পৃথিবীর বিভিন্ন নদীতে এই স্নান করে থাকেন সনাতন ধর্মাবলম্বীরা। এরই অংশ হিসেবে প্রতিবারের মত এবারও বান্দরবান শহরের সাঙ্গু নদীর তীরে এই স্নান ও পুজার আয়োজন করেছেন আশির্বাদ সংঘের সদস্যরা। এছাড়া পুজা উপলক্ষ্যে শোভাযাত্রা, শ্রী শ্রী গঙ্গা মায়ের বোধন, মহানাম যজ্ঞের শুভ অধিবাস, মহানামযজ্ঞ, বারুণীপূজা ও বারুণী স্নান, গঙ্গা মায়ের পূজা, ভোগারতি, সন্ধ্যারতি, গঙ্গা আরতি ও হাজার প্রদীপ নিবেদন, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং মহাপ্রসাদ বিতরণে উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

গঙ্গা পুজা পরিচালনা কমিটির সভাপতি দয়াল চৌধুরী বলেন, “মহাপুণ্য শ্রী শ্রী গঙ্গাপূজা ও বারুণী স্নান মানুষের আত্মশুদ্ধি এবং পাপমোচনের একটি বিশেষ সুযোগ বলেই বিশ্বাস করেন সনাতন ধর্মাবলম্বীরা। শুধু হিন্দু সম্প্রদায়ের নয়, বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষও এই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করে থাকেন। প্রতি বছর মধুকৃষ্ণা ত্রয়োদশীর তিথিতে এই অনুষ্ঠান আয়োজন করে আসছে আর্শীবাদ সংঘ। ভক্তদের এখানে গঙ্গা মায়ের পূজা, মহানামযজ্ঞ, সন্ধ্যারতি ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহনের মাধ্যমে এই পুণ্য তিথিকে সবাইকে একত্রিত করা এবং আধ্যাত্মিক আনন্দ ও শান্তি বৃদ্ধি করাই লক্ষ্য বলে জানান তিনি।

আপনার মতামত লিখুন

প্রতিদিনের বান্দরবান

বৃহস্পতিবার, ০৯ এপ্রিল ২০২৬


বান্দরবানে শুরু হচ্ছে গঙ্গাপূজা ও মহাপূর্ন্য বারুণী স্নান

প্রকাশের তারিখ : ১৪ মার্চ ২০২৬

featured Image

প্রতি বছরের মতো এবারও মধুকৃষ্ণা ত্রয়োদশী তিথি উপলক্ষে বান্দরবান পৌরসভার চৌধুরী মার্কেট সংলগ্ন সাঙ্গু নদীর তীরে অনুষ্টিত হতে যাচ্ছে সনাতন ধর্মালম্বীদের অন্যতম ধর্মীয় অনুষ্ঠান শ্রী শ্রী গঙ্গাপূজা ও মহাপূণ্য বারুণী স্নান। আগামী ১৬-১৮ মার্চ পর্যন্ত তিন দিন এ অনুষ্ঠান চলমান থাকবে বলে জানিয়েছে আয়োজকেরা।


আয়োজকেরা জানান, ধর্মীয় রিতি-নীতি ও সনাতন ধর্মালম্বীরা বিশ্বাস করেন এই তিথিতে পবিত্র গঙ্গা স্নান করলে জীবনের সকল পাপ, গ্লানী, দুঃখ দুর্দশা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়, ফলে পবিত্র গঙ্গা নদীসহ পৃথিবীর বিভিন্ন নদীতে এই স্নান করে থাকেন সনাতন ধর্মাবলম্বীরা। এরই অংশ হিসেবে প্রতিবারের মত এবারও বান্দরবান শহরের সাঙ্গু নদীর তীরে এই স্নান ও পুজার আয়োজন করেছেন আশির্বাদ সংঘের সদস্যরা। এছাড়া পুজা উপলক্ষ্যে শোভাযাত্রা, শ্রী শ্রী গঙ্গা মায়ের বোধন, মহানাম যজ্ঞের শুভ অধিবাস, মহানামযজ্ঞ, বারুণীপূজা ও বারুণী স্নান, গঙ্গা মায়ের পূজা, ভোগারতি, সন্ধ্যারতি, গঙ্গা আরতি ও হাজার প্রদীপ নিবেদন, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং মহাপ্রসাদ বিতরণে উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।


গঙ্গা পুজা পরিচালনা কমিটির সভাপতি দয়াল চৌধুরী বলেন, “মহাপুণ্য শ্রী শ্রী গঙ্গাপূজা ও বারুণী স্নান মানুষের আত্মশুদ্ধি এবং পাপমোচনের একটি বিশেষ সুযোগ বলেই বিশ্বাস করেন সনাতন ধর্মাবলম্বীরা। শুধু হিন্দু সম্প্রদায়ের নয়, বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষও এই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করে থাকেন। প্রতি বছর মধুকৃষ্ণা ত্রয়োদশীর তিথিতে এই অনুষ্ঠান আয়োজন করে আসছে আর্শীবাদ সংঘ। ভক্তদের এখানে গঙ্গা মায়ের পূজা, মহানামযজ্ঞ, সন্ধ্যারতি ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহনের মাধ্যমে এই পুণ্য তিথিকে সবাইকে একত্রিত করা এবং আধ্যাত্মিক আনন্দ ও শান্তি বৃদ্ধি করাই লক্ষ্য বলে জানান তিনি।


প্রতিদিনের বান্দরবান

সম্পাদক ও প্রকাশকের কার্যালয়ঃ
কপিরাইট © ২০২৬ প্রতিদিনের বান্দরবান । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত