সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে পবিত্র ঈদুল ফিতরের আনন্দ বিষাদে রূপ নিয়েছে। ঈদের সালামি বা বোনাস দেওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে সোহেল রানা (২৫) নামে এক যুবককে গলা কেটে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। নিহত সোহেল উপজেলার কায়েমপুর ইউনিয়নের সরাতৈল গ্রামের আজাদ মণ্ডলের ছেলে।
শনিবার দুপুরের দিকে বাড়ি থেকে প্রায় এক কিলোমিটার দূরে একটি ধানক্ষেত থেকে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে শাহজাদপুর থানা পুলিশ।
এরপর ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি সিরাজগঞ্জ শহীদ এম মনসুর আলী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় পুরো এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
নিহতের মা রুবি খাতুন জানান, গত রাত পৌনে ৮টার দিকে সোহেলের মোবাইলে বারবার কল আসছিল। সোহেল বাড়ি থেকে বের হতে চাইলে তিনি বাধা দিয়েছিলেন। কিছুক্ষণ পর কায়েমপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম ঈদ বোনাস দেবেন বলে ৪/৫ জন যুবক তাকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে একটি সিএনজিতে তুলে নিয়ে যায়। এরপর রাতে সে আর বাড়ি ফেরেনি এবং তার মোবাইল ফোনটিও বন্ধ পাওয়া যায়। পরিবারের লোকজন অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পায়নি।
শনিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে স্থানীয়রা ইরি ধানের ক্ষেতে একটি মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে খবর দিলে পরিবারের সদস্যরা গিয়ে সেটি সোহেল রানার বলে শনাক্ত করেন। নিহতের মা দাবি করেন, বিএনপি নেতা সাইফুল ইসলাম পরিকল্পিতভাবে তার ছেলেকে ডেকে নিয়ে হত্যা করে লাশ ফেলে দিয়েছেন। এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে সাইফুল ছাড়াও যারা বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে গিয়েছিল, তারা সবাই জড়িত বলে তিনি উল্লেখ করেন।
নিহতের স্বজন ও প্রতিবেশীরা এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে খুনিদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও ফাঁসির দাবি জানিয়েছেন। এদিকে অভিযুক্ত বিএনপি নেতা সাইফুল ইসলামের বাড়িতে গিয়ে তাকে পাওয়া যায়নি। তবে তার ছোট ভাই আসাদুজ্জামান দাবি করেছেন, তার ভাই এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত নন; শত্রুতাবশত তাকে ফাঁসানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।
শাহজাদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাইফুল ইসলাম জানান, নিহতের মা রুবি খাতুন বাদী হয়ে শাহজাদপুর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। এই নৃশংস ঘটনার সঙ্গে যারা জড়িত, তাদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে বলে তিনি আশ্বস্ত করেন।

বৃহস্পতিবার, ০৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ মার্চ ২০২৬
সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে পবিত্র ঈদুল ফিতরের আনন্দ বিষাদে রূপ নিয়েছে। ঈদের সালামি বা বোনাস দেওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে সোহেল রানা (২৫) নামে এক যুবককে গলা কেটে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। নিহত সোহেল উপজেলার কায়েমপুর ইউনিয়নের সরাতৈল গ্রামের আজাদ মণ্ডলের ছেলে।
শনিবার দুপুরের দিকে বাড়ি থেকে প্রায় এক কিলোমিটার দূরে একটি ধানক্ষেত থেকে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে শাহজাদপুর থানা পুলিশ।
এরপর ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি সিরাজগঞ্জ শহীদ এম মনসুর আলী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় পুরো এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
নিহতের মা রুবি খাতুন জানান, গত রাত পৌনে ৮টার দিকে সোহেলের মোবাইলে বারবার কল আসছিল। সোহেল বাড়ি থেকে বের হতে চাইলে তিনি বাধা দিয়েছিলেন। কিছুক্ষণ পর কায়েমপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম ঈদ বোনাস দেবেন বলে ৪/৫ জন যুবক তাকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে একটি সিএনজিতে তুলে নিয়ে যায়। এরপর রাতে সে আর বাড়ি ফেরেনি এবং তার মোবাইল ফোনটিও বন্ধ পাওয়া যায়। পরিবারের লোকজন অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পায়নি।
শনিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে স্থানীয়রা ইরি ধানের ক্ষেতে একটি মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে খবর দিলে পরিবারের সদস্যরা গিয়ে সেটি সোহেল রানার বলে শনাক্ত করেন। নিহতের মা দাবি করেন, বিএনপি নেতা সাইফুল ইসলাম পরিকল্পিতভাবে তার ছেলেকে ডেকে নিয়ে হত্যা করে লাশ ফেলে দিয়েছেন। এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে সাইফুল ছাড়াও যারা বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে গিয়েছিল, তারা সবাই জড়িত বলে তিনি উল্লেখ করেন।
নিহতের স্বজন ও প্রতিবেশীরা এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে খুনিদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও ফাঁসির দাবি জানিয়েছেন। এদিকে অভিযুক্ত বিএনপি নেতা সাইফুল ইসলামের বাড়িতে গিয়ে তাকে পাওয়া যায়নি। তবে তার ছোট ভাই আসাদুজ্জামান দাবি করেছেন, তার ভাই এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত নন; শত্রুতাবশত তাকে ফাঁসানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।
শাহজাদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাইফুল ইসলাম জানান, নিহতের মা রুবি খাতুন বাদী হয়ে শাহজাদপুর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। এই নৃশংস ঘটনার সঙ্গে যারা জড়িত, তাদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে বলে তিনি আশ্বস্ত করেন।

আপনার মতামত লিখুন