প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা পরিচয়ে প্রতারণার অভিযোগে আরিফ মাঈনুদ্দিন (৫০) নামের একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে মাঈনুদ্দিন নিজেকে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা দাবি করে এক হাজার কোটি টাকা ঋণ দিতে বাংলাদেশ ব্যাংকে চিঠি দিয়েছেন।
শনিবার দিবাগত রাতে (২২ মার্চ) কক্সবাজারের চকরিয়া থেকে ঢাকার গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ ও কক্সবাজার জেলা পুলিশের যৌথ দল অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করে।
গ্রেফতার ব্যক্তির থেকে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা পরিচয়ে মিথ্যা প্রজ্ঞাপন, প্রধানমন্ত্রীর ছবিসংবলিত ভিজিটিং কার্ড ও দুটো মুঠোফোন উদ্ধার করা হয়।
রোববার রাজধানীর মিন্টো রোডে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানানো হয়।
অভিযোগ রয়েছে নিজের ছবি এডিট করে প্রধানমন্ত্রীর পাশে বসিয়ে, অনলাইন যোগাযোগের বিভিন্ন অ্যাপসে পাঠাতেন মাঈনুদ্দিন। ছিল ভুয়া ভিজিটিং কার্ডও। নিজেকে দাবি করতেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা। এমনকি, নিজের নামে ছাপিয়েছিলেন গেজেটও।
এতসবের কারণ একটাই। বিভিন্ন মহলে ক্ষমতার প্রভাবে প্রতারণার ফাঁদ। সুপারিশ, নিয়োগ এমনকি প্রশাসনিক সুবিধা পাইয়ে দেয়ার নামে, বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানে পাঠাতেন বার্তা।
এখানেই শেষ নয়। মন্ত্রীদের নাম ব্যবহার করেও চাঁদা নেয়ার অভিযোগ আছে তার বিরুদ্ধে।
সংবাদ সম্মেলনে ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি) মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, আরিফ মাঈনুদ্দিন ওরফে মাঈনুদ্দিন ওরফে মাঈনুদ্দিন চৌধুরী নাম ব্যবহার করে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা পরিচয়ে নানা প্রতারণায় লিপ্ত রয়েছেন। সে একটি ভুয়া প্রজ্ঞাপন তৈরি করে দাবি করেন যে সরকার তাকে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা হিসেবে প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদায় নিয়োগ দিয়েছে।
ভুয়া প্রজ্ঞাপন প্রতারণার উদ্দেশ্যে সরকারি–বেসরকারি বিভিন্ন কর্মকর্তার কাছে পাঠিয়েছেন আরিফ। এ ছাড়া তিনি প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা পরিচয়ে ভুয়া ভিজিটিং কার্ড তৈরি করেও ব্যবহার করছে।
ঢাকার ডিবি প্রধান আরও বলেন, গুম কল্যাণ ট্রাস্টের দায়িত্বপ্রাপ্ত পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন ব্যক্তির থেকে চাঁদা আদায় করতেন গ্রেফতার ব্যক্তি। এছাড়া বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছেও হাজার কোটি টাকা ঋণ চেয়ে আবেদন করেছেন।

বৃহস্পতিবার, ০৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ মার্চ ২০২৬
প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা পরিচয়ে প্রতারণার অভিযোগে আরিফ মাঈনুদ্দিন (৫০) নামের একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে মাঈনুদ্দিন নিজেকে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা দাবি করে এক হাজার কোটি টাকা ঋণ দিতে বাংলাদেশ ব্যাংকে চিঠি দিয়েছেন।
শনিবার দিবাগত রাতে (২২ মার্চ) কক্সবাজারের চকরিয়া থেকে ঢাকার গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ ও কক্সবাজার জেলা পুলিশের যৌথ দল অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করে।
গ্রেফতার ব্যক্তির থেকে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা পরিচয়ে মিথ্যা প্রজ্ঞাপন, প্রধানমন্ত্রীর ছবিসংবলিত ভিজিটিং কার্ড ও দুটো মুঠোফোন উদ্ধার করা হয়।
রোববার রাজধানীর মিন্টো রোডে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানানো হয়।
অভিযোগ রয়েছে নিজের ছবি এডিট করে প্রধানমন্ত্রীর পাশে বসিয়ে, অনলাইন যোগাযোগের বিভিন্ন অ্যাপসে পাঠাতেন মাঈনুদ্দিন। ছিল ভুয়া ভিজিটিং কার্ডও। নিজেকে দাবি করতেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা। এমনকি, নিজের নামে ছাপিয়েছিলেন গেজেটও।
এতসবের কারণ একটাই। বিভিন্ন মহলে ক্ষমতার প্রভাবে প্রতারণার ফাঁদ। সুপারিশ, নিয়োগ এমনকি প্রশাসনিক সুবিধা পাইয়ে দেয়ার নামে, বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানে পাঠাতেন বার্তা।
এখানেই শেষ নয়। মন্ত্রীদের নাম ব্যবহার করেও চাঁদা নেয়ার অভিযোগ আছে তার বিরুদ্ধে।
সংবাদ সম্মেলনে ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি) মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, আরিফ মাঈনুদ্দিন ওরফে মাঈনুদ্দিন ওরফে মাঈনুদ্দিন চৌধুরী নাম ব্যবহার করে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা পরিচয়ে নানা প্রতারণায় লিপ্ত রয়েছেন। সে একটি ভুয়া প্রজ্ঞাপন তৈরি করে দাবি করেন যে সরকার তাকে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা হিসেবে প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদায় নিয়োগ দিয়েছে।
ভুয়া প্রজ্ঞাপন প্রতারণার উদ্দেশ্যে সরকারি–বেসরকারি বিভিন্ন কর্মকর্তার কাছে পাঠিয়েছেন আরিফ। এ ছাড়া তিনি প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা পরিচয়ে ভুয়া ভিজিটিং কার্ড তৈরি করেও ব্যবহার করছে।
ঢাকার ডিবি প্রধান আরও বলেন, গুম কল্যাণ ট্রাস্টের দায়িত্বপ্রাপ্ত পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন ব্যক্তির থেকে চাঁদা আদায় করতেন গ্রেফতার ব্যক্তি। এছাড়া বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছেও হাজার কোটি টাকা ঋণ চেয়ে আবেদন করেছেন।

আপনার মতামত লিখুন