প্রতিদিনের বান্দরবান

সৈকতে ১৭৩৩টি ডিম পেরেছে ১৬ কাছিম



সৈকতে ১৭৩৩টি ডিম পেরেছে ১৬ কাছিম
ছবি: প্রতিদিনের বান্দরবান

কক্সবাজারের টেকনাফে একদিনে সমুদ্র সৈকতে ১৬টি অলিভ রিডলে কাছিম ১ হাজার ৭৩৩টি ডিম দিয়েছে। ডিম পাড়ার পর তারা আবার সাগরে ফিরে যায়।

সোমবার (২৩ মার্চ) সকাল থেকে কমিউনিটি-লেড টার্টল কনজারভেশন (কোডেক) প্রকল্পের আওতায় উপকূলে স্থাপিত পাঁচটি হ্যাচারির মাধ্যমে ডিমগুলো সংগ্রহ করে সংরক্ষণ করা হয়েছে।

জানা গেছে, চলতি মৌসুমে এ পর্যন্ত ১১৬টি কাছিম থেকে ১৩ হাজার ৯০০টি ডিম সংগ্রহ ও সংরক্ষণ করা হয়েছে। পাশাপাশি ৫৫০টি কাছিমের বাচ্চা সফলভাবে সমুদ্রে অবমুক্ত করা হয়েছে।

কমিউনিটি-লেড টার্টল কনজারভেশন (কোডেক) প্রকল্পের উখিয়া-টেকনাফ অঞ্চলে দায়িত্বরত লিয়াকত আলী জানান, সামুদ্রিক কাছিম সংরক্ষণ শুধু একটি প্রাণী রক্ষার উদ্যোগ নয়; এটি পুরো সামুদ্রিক পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য টিকিয়ে রাখার একটি অপরিহার্য পদক্ষেপ। 

তিনি আরো বলেন, সবাইকে এ উদ্যোগে সম্পৃক্ত হয়ে আমাদের সমুদ্র ও প্রকৃতিকে সুরক্ষিত রাখতে এগিয়ে আসতে হবে।

পরিবেশবাদীরা বলছেন, কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত ও পার্শ্ববর্তী সমুদ্র তটের বালিয়াড়ি দিন দিন অনিরাপদ হয়ে উঠেছে। ফলে প্রাকৃতিক পরিবেশ ধ্বংস হচ্ছে, বাড়ছে মানুষের বিচরণ। ফলে সামুদ্রিক কাছিমের ডিম পাড়ার ক্ষেত্র সংকোচিত হচ্ছে। তাই কাছিম বিচরণ ও ডিম পাড়ার  নিরাপদ জোন সংরক্ষণ করা জরুরি হয়ে পড়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

প্রতিদিনের বান্দরবান

বৃহস্পতিবার, ০৯ এপ্রিল ২০২৬


সৈকতে ১৭৩৩টি ডিম পেরেছে ১৬ কাছিম

প্রকাশের তারিখ : ২৩ মার্চ ২০২৬

featured Image

কক্সবাজারের টেকনাফে একদিনে সমুদ্র সৈকতে ১৬টি অলিভ রিডলে কাছিম ১ হাজার ৭৩৩টি ডিম দিয়েছে। ডিম পাড়ার পর তারা আবার সাগরে ফিরে যায়।


সোমবার (২৩ মার্চ) সকাল থেকে কমিউনিটি-লেড টার্টল কনজারভেশন (কোডেক) প্রকল্পের আওতায় উপকূলে স্থাপিত পাঁচটি হ্যাচারির মাধ্যমে ডিমগুলো সংগ্রহ করে সংরক্ষণ করা হয়েছে।


জানা গেছে, চলতি মৌসুমে এ পর্যন্ত ১১৬টি কাছিম থেকে ১৩ হাজার ৯০০টি ডিম সংগ্রহ ও সংরক্ষণ করা হয়েছে। পাশাপাশি ৫৫০টি কাছিমের বাচ্চা সফলভাবে সমুদ্রে অবমুক্ত করা হয়েছে।


কমিউনিটি-লেড টার্টল কনজারভেশন (কোডেক) প্রকল্পের উখিয়া-টেকনাফ অঞ্চলে দায়িত্বরত লিয়াকত আলী জানান, সামুদ্রিক কাছিম সংরক্ষণ শুধু একটি প্রাণী রক্ষার উদ্যোগ নয়; এটি পুরো সামুদ্রিক পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য টিকিয়ে রাখার একটি অপরিহার্য পদক্ষেপ। 


তিনি আরো বলেন, সবাইকে এ উদ্যোগে সম্পৃক্ত হয়ে আমাদের সমুদ্র ও প্রকৃতিকে সুরক্ষিত রাখতে এগিয়ে আসতে হবে।


পরিবেশবাদীরা বলছেন, কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত ও পার্শ্ববর্তী সমুদ্র তটের বালিয়াড়ি দিন দিন অনিরাপদ হয়ে উঠেছে। ফলে প্রাকৃতিক পরিবেশ ধ্বংস হচ্ছে, বাড়ছে মানুষের বিচরণ। ফলে সামুদ্রিক কাছিমের ডিম পাড়ার ক্ষেত্র সংকোচিত হচ্ছে। তাই কাছিম বিচরণ ও ডিম পাড়ার  নিরাপদ জোন সংরক্ষণ করা জরুরি হয়ে পড়েছে।


প্রতিদিনের বান্দরবান

সম্পাদক ও প্রকাশকের কার্যালয়ঃ
কপিরাইট © ২০২৬ প্রতিদিনের বান্দরবান । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত