রাঙ্গামাটিতে আছেং রাখাইন নামের এক শিক্ষিকার বেত্রাঘাতে আহত হয়েছে নয় বছর বয়সী এক চাকমা স্কুলছাত্রী। আহত ছাত্রীর নাম শ্রমনা দেওয়ান, সে বনরুপা মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী।
ভুক্তভোগী পরিবার সূত্রে জানা যায়, আহত শ্রমনা দেওয়ান রাণীদয়াময়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা আছেং রাখাইন এর কাছে প্রাইভেট পড়তো। পড়া না পারায় দুষ্টুমির কারণে ওই শিক্ষিকা তাকে বেত দিয়ে বেদম প্রহার করেন। আঘাতে শিশুটির শরীরে গুরুতর জখম হয়। রক্ত জমাট বেধে শরীর ফুলে যায়। বর্তমানে সে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
এতে স্থানীয়রা বলছেন, রাখাইন শিক্ষিকার এমন নিন্দনীয় আচরণে তার উগ্রতা ও হিংস্র মানসিকতার বহিঃপ্রকাশ। এমন আচরণ একজন শিশুর প্রতি কোনো ভাবেই কাম্য নয়। পাহাড়ে উপজাতীয় জনগোষ্ঠীর অভ্যন্তরে এমন ঘটনা অসংখ্য ঘটে কিন্তু বিভিন্ন উপায়ে ধামাচাপা দেওয়া হয়।
পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক সচেতন ব্যক্তিরা বলছেন, গত পরশুদিন (০১/০৪/২০২৬) বান্দরবানের লামায় এক ম্রো শিক্ষার্থীকে পড়া না পাড়ায় বাঙালি শিক্ষক শুধু একটা চড় মেরেছিলো তাতেই অপপ্রচার চালিয়ে শিক্ষকের বিরুদ্ধে মব সৃষ্টি করেছিলো উগ্র উপজাতিরা৷ কিন্তু আজ রাঙামাটিতে রাখাইন শিক্ষিকা কর্তৃক এক চাকমা শিশুকে গুরুতর আহত ও জখম করার পরও কোনোও উগ্র উপজাতি ও সুশীলের বিরুদ্ধে নূন্যতম প্রতিবাদ কিংবা নিন্দার বক্তব্য নেই। ভিক্টিম উপজাতি ও অভিযুক্ত বাঙালি হলেই তাদের প্রতিবাদ ও অপপ্রচারের বন্যা বয়।

বৃহস্পতিবার, ০৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ এপ্রিল ২০২৬
রাঙ্গামাটিতে আছেং রাখাইন নামের এক শিক্ষিকার বেত্রাঘাতে আহত হয়েছে নয় বছর বয়সী এক চাকমা স্কুলছাত্রী। আহত ছাত্রীর নাম শ্রমনা দেওয়ান, সে বনরুপা মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী।
ভুক্তভোগী পরিবার সূত্রে জানা যায়, আহত শ্রমনা দেওয়ান রাণীদয়াময়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা আছেং রাখাইন এর কাছে প্রাইভেট পড়তো। পড়া না পারায় দুষ্টুমির কারণে ওই শিক্ষিকা তাকে বেত দিয়ে বেদম প্রহার করেন। আঘাতে শিশুটির শরীরে গুরুতর জখম হয়। রক্ত জমাট বেধে শরীর ফুলে যায়। বর্তমানে সে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
এতে স্থানীয়রা বলছেন, রাখাইন শিক্ষিকার এমন নিন্দনীয় আচরণে তার উগ্রতা ও হিংস্র মানসিকতার বহিঃপ্রকাশ। এমন আচরণ একজন শিশুর প্রতি কোনো ভাবেই কাম্য নয়। পাহাড়ে উপজাতীয় জনগোষ্ঠীর অভ্যন্তরে এমন ঘটনা অসংখ্য ঘটে কিন্তু বিভিন্ন উপায়ে ধামাচাপা দেওয়া হয়।
পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক সচেতন ব্যক্তিরা বলছেন, গত পরশুদিন (০১/০৪/২০২৬) বান্দরবানের লামায় এক ম্রো শিক্ষার্থীকে পড়া না পাড়ায় বাঙালি শিক্ষক শুধু একটা চড় মেরেছিলো তাতেই অপপ্রচার চালিয়ে শিক্ষকের বিরুদ্ধে মব সৃষ্টি করেছিলো উগ্র উপজাতিরা৷ কিন্তু আজ রাঙামাটিতে রাখাইন শিক্ষিকা কর্তৃক এক চাকমা শিশুকে গুরুতর আহত ও জখম করার পরও কোনোও উগ্র উপজাতি ও সুশীলের বিরুদ্ধে নূন্যতম প্রতিবাদ কিংবা নিন্দার বক্তব্য নেই। ভিক্টিম উপজাতি ও অভিযুক্ত বাঙালি হলেই তাদের প্রতিবাদ ও অপপ্রচারের বন্যা বয়।

আপনার মতামত লিখুন