বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়িতে বিশেষ অভিযান চালিয়ে দুইটি পিস্তল ও ৪২ রাউন্ড তাজা গুলি উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। এ ঘটনায় এক রোহিঙ্গা যুবকসহ দুজনকে আটক করা হয়েছে।
গত শনিবার (১১ এপ্রিল) সন্ধ্যায় সামরিক গোয়েন্দা সংস্থার তথ্যের ভিত্তিতে নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়ন (১১ বিজিবি) উপজেলার সদর ইউনিয়নের বাগানঘোনা এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করে।
বিজিবি জানায়, অভিযানে একটি টিটি ক্যালিবার ৯ মিলিমিটার পিস্তল (ইউগোস্লাভিয়া নির্মিত), একটি অজ্ঞাত ধরনের পিস্তল ও ৪২ রাউন্ড তাজা গুলিসহ মো. ফারুক (২১) নামে এক রোহিঙ্গা যুবককে আটক করা হয়। তিনি রোহিঙ্গা ক্যাম্প–১৩-এর বাসিন্দা।
পরে ফারুকের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে একই উপজেলার চাকডালা বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে নুরুল আলম (৩০) নামে আরও একজনকে আটক করা হয়। তিনি নাইক্ষ্যংছড়ি সদর ইউনিয়নের প্রধানঝিরি এলাকার বাসিন্দা।
বিজিবির প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক ব্যক্তিরা জানিয়েছেন, ‘আয়াতুল্লাহ’ নামে এক ব্যক্তির নির্দেশে ২০ হাজার টাকার বিনিময়ে অস্ত্রগুলো নাইক্ষ্যংছড়ি সদর এলাকার একটি হোটেলে পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনা করেছিলেন তারা। বর্তমানে আটক ব্যক্তিরা উদ্ধারকৃত অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ বিজিবির হেফাজতে রয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
অভিযানের বিষয়ে নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়নের (১১ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. ফয়জুল কবির পিএসসি, ইঞ্জিনিয়ার্স বলেন, সীমান্ত এলাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং অবৈধ অস্ত্র ও চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবি নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ এপ্রিল ২০২৬
বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়িতে বিশেষ অভিযান চালিয়ে দুইটি পিস্তল ও ৪২ রাউন্ড তাজা গুলি উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। এ ঘটনায় এক রোহিঙ্গা যুবকসহ দুজনকে আটক করা হয়েছে।
গত শনিবার (১১ এপ্রিল) সন্ধ্যায় সামরিক গোয়েন্দা সংস্থার তথ্যের ভিত্তিতে নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়ন (১১ বিজিবি) উপজেলার সদর ইউনিয়নের বাগানঘোনা এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করে।
বিজিবি জানায়, অভিযানে একটি টিটি ক্যালিবার ৯ মিলিমিটার পিস্তল (ইউগোস্লাভিয়া নির্মিত), একটি অজ্ঞাত ধরনের পিস্তল ও ৪২ রাউন্ড তাজা গুলিসহ মো. ফারুক (২১) নামে এক রোহিঙ্গা যুবককে আটক করা হয়। তিনি রোহিঙ্গা ক্যাম্প–১৩-এর বাসিন্দা।
পরে ফারুকের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে একই উপজেলার চাকডালা বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে নুরুল আলম (৩০) নামে আরও একজনকে আটক করা হয়। তিনি নাইক্ষ্যংছড়ি সদর ইউনিয়নের প্রধানঝিরি এলাকার বাসিন্দা।
বিজিবির প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক ব্যক্তিরা জানিয়েছেন, ‘আয়াতুল্লাহ’ নামে এক ব্যক্তির নির্দেশে ২০ হাজার টাকার বিনিময়ে অস্ত্রগুলো নাইক্ষ্যংছড়ি সদর এলাকার একটি হোটেলে পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনা করেছিলেন তারা। বর্তমানে আটক ব্যক্তিরা উদ্ধারকৃত অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ বিজিবির হেফাজতে রয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
অভিযানের বিষয়ে নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়নের (১১ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. ফয়জুল কবির পিএসসি, ইঞ্জিনিয়ার্স বলেন, সীমান্ত এলাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং অবৈধ অস্ত্র ও চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবি নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন