প্রতিদিনের বান্দরবান

কক্সবাজারে হাতকড়া পরে মায়ের জানাজায় দুই আওয়ামী লীগ নেতা!



কক্সবাজারে হাতকড়া পরে মায়ের জানাজায় দুই আওয়ামী লীগ নেতা!
দুই সহোদর আওয়ামী লীগ নেতা ফরিদুল আলম ও মোঃ ইসমাঈল। ফাইল ছবি

কক্সবাজারের রামু উপজেলার দক্ষিণ মিঠাছড়ি ইউনিয়নের পানেরছড়া গ্রামের দুই সহোদর আওয়ামী লীগ নেতা ফরিদুল আলম ও মোঃ ইসমাঈল। দীর্ঘ দিন ধরে রাজনৈতিক মামলায় কক্সবাজার কারাগারে রয়েছেন।

তাঁদের মা মোস্তফা বেগম (৮০) মারা গেলে শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সকালে প্যারোলে মুক্তি নিয়ে বাদ জোহর পানের ছড়া কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ সংলগ্ন এলাকায় অনুষ্ঠিত জানাজা নামাজে অংশ নেন।

দেশ ও দশের কথা বলতে


জানাজা নামাজে হাতকড়া হাতে অঝোঁরে কেঁদে আওয়ামী লীগ নেতা ফরিদুল আলম ও মোঃ ইসমাঈল বলেন- তাঁদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র হয়েছে। তাঁরা কখনো কারও ক্ষতি বা অন্যায় করেন নি। এসময় তারা মায়ের জন্য এবং অসুস্থ বাবা নুর আহমদের জন্য দোয়া চান ।

স্বজন ও স্থানীয়রা জানিয়েছেন প্রথমে খুঁনিয়াপালং ইউনিয়নের একটি মামলায় তাঁদের আটক করে কারাগারে পাঠানো হয়েছিল। সেই মামলায় জামিন হওয়ার পর দক্ষিণ মিঠাছড়ির একটি মামলায় ফের আটক দেখানো হয়। সেটার জামিন হলে রামুর মাহিন চৌধুরীর মামলায় আবারও আটক হয়ে দুই ভাইকে কারাভোগ করতে হচ্ছে দীর্ঘ আড়াই মাস ধরে।

কারাগারে থাকার কারণে জীবিত অবস্থায় তাঁরা মাকে শেষ দেখা দেখতে পারেননি। তাঁদের বাবা নূর আহমদও বর্তমানে অনেক অসুস্থ।


আপনার মতামত লিখুন

প্রতিদিনের বান্দরবান

বৃহস্পতিবার, ০৯ এপ্রিল ২০২৬


কক্সবাজারে হাতকড়া পরে মায়ের জানাজায় দুই আওয়ামী লীগ নেতা!

প্রকাশের তারিখ : ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

featured Image

কক্সবাজারের রামু উপজেলার দক্ষিণ মিঠাছড়ি ইউনিয়নের পানেরছড়া গ্রামের দুই সহোদর আওয়ামী লীগ নেতা ফরিদুল আলম ও মোঃ ইসমাঈল। দীর্ঘ দিন ধরে রাজনৈতিক মামলায় কক্সবাজার কারাগারে রয়েছেন।


তাঁদের মা মোস্তফা বেগম (৮০) মারা গেলে শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সকালে প্যারোলে মুক্তি নিয়ে বাদ জোহর পানের ছড়া কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ সংলগ্ন এলাকায় অনুষ্ঠিত জানাজা নামাজে অংশ নেন।

দেশ ও দশের কথা বলতে


জানাজা নামাজে হাতকড়া হাতে অঝোঁরে কেঁদে আওয়ামী লীগ নেতা ফরিদুল আলম ও মোঃ ইসমাঈল বলেন- তাঁদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র হয়েছে। তাঁরা কখনো কারও ক্ষতি বা অন্যায় করেন নি। এসময় তারা মায়ের জন্য এবং অসুস্থ বাবা নুর আহমদের জন্য দোয়া চান ।



স্বজন ও স্থানীয়রা জানিয়েছেন প্রথমে খুঁনিয়াপালং ইউনিয়নের একটি মামলায় তাঁদের আটক করে কারাগারে পাঠানো হয়েছিল। সেই মামলায় জামিন হওয়ার পর দক্ষিণ মিঠাছড়ির একটি মামলায় ফের আটক দেখানো হয়। সেটার জামিন হলে রামুর মাহিন চৌধুরীর মামলায় আবারও আটক হয়ে দুই ভাইকে কারাভোগ করতে হচ্ছে দীর্ঘ আড়াই মাস ধরে।


কারাগারে থাকার কারণে জীবিত অবস্থায় তাঁরা মাকে শেষ দেখা দেখতে পারেননি। তাঁদের বাবা নূর আহমদও বর্তমানে অনেক অসুস্থ।



প্রতিদিনের বান্দরবান

সম্পাদক ও প্রকাশকের কার্যালয়ঃ
কপিরাইট © ২০২৬ প্রতিদিনের বান্দরবান । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত