মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে 'জিনামেজু অনাথ আশ্রম'-এর আয়োজনে র্যালি ও দেয়ালিকা প্রকাশ করা হয়েছে।
শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৭টায় লামা উপজেলার ইয়াংছা জিনামেজু টেকনিক্যাল ইনস্টিটিউটের সম্মুখে লামা-চকরিয়া সড়কে এই র্যালি অনুষ্ঠিত হয়। র্যালি শেষে আশ্রম প্রাঙ্গণে একটি দেয়ালিকা প্রকাশ করা হয়।
লামা-চকরিয়া সড়কে খালি পায়ে প্রভাতফেরি অনুষ্ঠিত হওয়ার পাশাপাশি আশ্রমের ভেতরে শিশুদের জন্য আয়োজন করা হয়েছিল চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা ও বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের। যে শিশুদের পৃথিবীতে আপন বলতে কেউ নেই, তাদের মুখে নিজের ভাষার জয়গান ফুটিয়ে তোলাই ছিল এই আয়োজনের মূল লক্ষ্য।
অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া শিশু-কিশোরেরা আবেগপ্রবণ হয়ে বলে, "আজ অনেক নতুন শব্দ শিখলাম। শহীদ মিনারের ছবি আঁকতে পেরে আমার খুব ভালো লাগছে।"
আয়োজকদের মতে, সমাজের এই অবহেলিত শিশুদের মূলধারায় সম্পৃক্ত করতে এবং তাদের মাঝে দেশপ্রেম জাগ্রত করতে এ ধরনের আয়োজন প্রতিবছর অব্যাহত রাখা প্রয়োজন।
জিনামেজু অনাথ আশ্রমের প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক উ নন্দমালা মহাথের বলেন, "এই শিশুরা পরিবারহীন হতে পারে, কিন্তু তারা দেশহীন বা ভাষাহীন নয়। তাদের মনের ভেতরে নিজের ভাষার প্রতি ভালোবাসা এবং একুশের চেতনা জাগিয়ে তুলতেই আমাদের এই ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা।"

বৃহস্পতিবার, ০৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে 'জিনামেজু অনাথ আশ্রম'-এর আয়োজনে র্যালি ও দেয়ালিকা প্রকাশ করা হয়েছে।
শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৭টায় লামা উপজেলার ইয়াংছা জিনামেজু টেকনিক্যাল ইনস্টিটিউটের সম্মুখে লামা-চকরিয়া সড়কে এই র্যালি অনুষ্ঠিত হয়। র্যালি শেষে আশ্রম প্রাঙ্গণে একটি দেয়ালিকা প্রকাশ করা হয়।
লামা-চকরিয়া সড়কে খালি পায়ে প্রভাতফেরি অনুষ্ঠিত হওয়ার পাশাপাশি আশ্রমের ভেতরে শিশুদের জন্য আয়োজন করা হয়েছিল চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা ও বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের। যে শিশুদের পৃথিবীতে আপন বলতে কেউ নেই, তাদের মুখে নিজের ভাষার জয়গান ফুটিয়ে তোলাই ছিল এই আয়োজনের মূল লক্ষ্য।
অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া শিশু-কিশোরেরা আবেগপ্রবণ হয়ে বলে, "আজ অনেক নতুন শব্দ শিখলাম। শহীদ মিনারের ছবি আঁকতে পেরে আমার খুব ভালো লাগছে।"
আয়োজকদের মতে, সমাজের এই অবহেলিত শিশুদের মূলধারায় সম্পৃক্ত করতে এবং তাদের মাঝে দেশপ্রেম জাগ্রত করতে এ ধরনের আয়োজন প্রতিবছর অব্যাহত রাখা প্রয়োজন।
জিনামেজু অনাথ আশ্রমের প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক উ নন্দমালা মহাথের বলেন, "এই শিশুরা পরিবারহীন হতে পারে, কিন্তু তারা দেশহীন বা ভাষাহীন নয়। তাদের মনের ভেতরে নিজের ভাষার প্রতি ভালোবাসা এবং একুশের চেতনা জাগিয়ে তুলতেই আমাদের এই ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা।"

আপনার মতামত লিখুন