পার্বত্য চট্টগ্রামের উন্নয়নে স্থানীয় অংশীদারিত্ব এবং অর্থনৈতিক সক্ষমতা বাড়াতে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে বর্তমান সরকার। দুর্গমতা ও বৈচিত্র্যময় জাতিগোষ্ঠীর কথা মাথায় রেখে তৈরি করা হয়েছে ১৮০ দিনের বিশেষ উন্নয়ন পরিকল্পনা। দায়িত্ব গ্রহণের পর চট্টগ্রামের প্রথম সফরে ইনডিপেনডেন্ট টেলিভিশনকে দেওয়া বিশেষ সাক্ষাৎকারে এসব পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল উদ্দিন।
দেশের মোট ভূখণ্ডের প্রায় দশ ভাগের এক ভাগ জুড়ে তিন পার্বত্য জেলা। ভৌগোলিক অবস্থান আর দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক-সামাজিক সমীকরণের জন্য বরাবরই সরকারের বিশেষ নজরে থাকে এই অঞ্চল। তবে এবার উন্নয়নের ধরনে পরিবর্তন আনতে চায় নতুন সরকার।
দায়িত্ব পাওয়ার পর প্রথমবারের মতো নিজ এলাকায় এসেছেন প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল উদ্দিন। তিনি বলেন, ‘আগামী ছয় মাসের জন্য একটি বিশেষ পরিকল্পনা তৈরি করেছে মন্ত্রণালয়। যেখানে গুরুত্ব পাচ্ছে স্থানীয় অর্থনীতি ও কর্মসংস্থান।’
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘প্রায় ১৩ হাজার বর্গকিলোমিটারের ২৬টি উপজেলায় ৩০টি পুলিশি থানার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখাও সরকারের অন্যতম লক্ষ্য। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রেখে স্থানীয়দের সম্পৃক্ত করেই সাজানো হবে প্রতিটি প্রকল্প।’
শুধু পার্বত্য জনপদই নয়, বৃহত্তর চট্টগ্রাম ও নিজের নির্বাচনী এলাকার সামগ্রিক পরিবর্তন আনতে বদ্ধপরিকর নতুন এই প্রতিমন্ত্রী।
পাহাড়ের উন্নয়ন নিশ্চিতে নজর দিতে হবে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থায়। সঠিক প্রতিনিধির মাধ্যমে কার্যকর করা গেলে তরান্বিত হবে সুষম উন্নয়ন বলেও মনে করছে পাহাড়ের মানুষ।

বৃহস্পতিবার, ০৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
পার্বত্য চট্টগ্রামের উন্নয়নে স্থানীয় অংশীদারিত্ব এবং অর্থনৈতিক সক্ষমতা বাড়াতে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে বর্তমান সরকার। দুর্গমতা ও বৈচিত্র্যময় জাতিগোষ্ঠীর কথা মাথায় রেখে তৈরি করা হয়েছে ১৮০ দিনের বিশেষ উন্নয়ন পরিকল্পনা। দায়িত্ব গ্রহণের পর চট্টগ্রামের প্রথম সফরে ইনডিপেনডেন্ট টেলিভিশনকে দেওয়া বিশেষ সাক্ষাৎকারে এসব পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল উদ্দিন।
দেশের মোট ভূখণ্ডের প্রায় দশ ভাগের এক ভাগ জুড়ে তিন পার্বত্য জেলা। ভৌগোলিক অবস্থান আর দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক-সামাজিক সমীকরণের জন্য বরাবরই সরকারের বিশেষ নজরে থাকে এই অঞ্চল। তবে এবার উন্নয়নের ধরনে পরিবর্তন আনতে চায় নতুন সরকার।
দায়িত্ব পাওয়ার পর প্রথমবারের মতো নিজ এলাকায় এসেছেন প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল উদ্দিন। তিনি বলেন, ‘আগামী ছয় মাসের জন্য একটি বিশেষ পরিকল্পনা তৈরি করেছে মন্ত্রণালয়। যেখানে গুরুত্ব পাচ্ছে স্থানীয় অর্থনীতি ও কর্মসংস্থান।’
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘প্রায় ১৩ হাজার বর্গকিলোমিটারের ২৬টি উপজেলায় ৩০টি পুলিশি থানার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখাও সরকারের অন্যতম লক্ষ্য। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রেখে স্থানীয়দের সম্পৃক্ত করেই সাজানো হবে প্রতিটি প্রকল্প।’
শুধু পার্বত্য জনপদই নয়, বৃহত্তর চট্টগ্রাম ও নিজের নির্বাচনী এলাকার সামগ্রিক পরিবর্তন আনতে বদ্ধপরিকর নতুন এই প্রতিমন্ত্রী।
পাহাড়ের উন্নয়ন নিশ্চিতে নজর দিতে হবে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থায়। সঠিক প্রতিনিধির মাধ্যমে কার্যকর করা গেলে তরান্বিত হবে সুষম উন্নয়ন বলেও মনে করছে পাহাড়ের মানুষ।

আপনার মতামত লিখুন