প্রিন্ট এর তারিখ : ১০ এপ্রিল ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ১২ মার্চ ২০২৬
চকরিয়ায় হঠাৎ বেড়েছে চুরি, রাত হলেই হানা দিচ্ছে চোরের দল
নিজস্ব প্রতিবেদক, প্রতিদিনের বান্দরবান ||
কক্সবাজারের চকরিয়া পৌরসভায় হঠাৎ বেড়েছে চুরি। চোরচক্র বিদ্যুতের সার্ভিস তার, পানির পাম্প থেকে শুরু করে দামি দামি জিনিস চুরি করে নিয়ে যাচ্ছে। থানা-পুলিশের অভিযান ও আটকের পরও থেমে নেই চুরি। প্রতি রাতে কোথাও না কোথাও হানা দিচ্ছে চোরের দল।ভুক্তভোগী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ২৫ ফেব্রুয়ারি রাতে পৌরশহরের ৩নম্বর ওয়ার্ডের হিন্দুপাড়ার এক বাসার সিসি টিভি ক্যামেরার তার চুরি করে নিয়ে যায় চোরের দল। এছাড়াও বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ মালামালও চুরি করে নিয়ে যায়। এরপর গত ৯ মার্চ পৌরসভার ৮নম্বর ওয়ার্ডের ওয়াটার সাপ্লাই ঘরের সার্ভিস তার, বিদ্যুতের মিটার, লোহার গ্রিলসহ বেশকিছু মালামাল চুরি করে নিয়ে যায়। তবে স্থানীয়রা ওই চোরকে শনাক্তের পর আটক করে। পরে তাকে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়।স্থানীয় বাসিন্দা রনধীর দাশ বলেন, ‘বাড়ির নিরাপত্তার জন্য বেশ কয়েকটা সিসি ক্যামরা লাগিয়েছিলাম। কিন্তু চোরের দল কয়েকটা সিসি ক্যামরাসহ তার চুরি করে নিয়ে গেছে। ঘটনাটি চকরিয়া থানায় জানিয়েছি। ’চকরিয়া পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর মুজিবুল হক বলেন, ‘উপজেলা হেলথ অফিস থেকে ৮নম্বর ওয়ার্ডে একটি ওয়াটার সাপ্লাই ঘরের বৈদ্যুতিক মিটার, সার্ভিস তার ও লোহার গ্রিলসহ বেশকিছু মালামাল চুরি করে নিয়ে গেছে চোরের দল। পরে জড়িত দুজনকে আটক করে থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছি।’তিনি বলেন, ‘মূলত নেশা ও জুয়ার টাকা জোগাতে কিছু যুবক চুরি কাজে লিপ্ত হয়ে পড়েছে। এসব চোরকে পুলিশ প্রায়সময় আটক করলেও পরে তারা জামিনে এসে আবারও চুরির কাজে নেমে পড়ে।’ চকরিয়া থানার ওসি মনির হোসেন বলেন, ‘ইতিমধ্যে বেশ কয়েকটি সাড়াশি অভিযানে ১১ জনকে আটক করা হয়। আটকদের বিরুদ্ধে চুরি-ছিনতাইসহ নানা অপরাধ কাজে জড়িত থাকার প্রমাণ ছিল। তাদের আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।ওসি আরও বলেন ‘চুরি-ছিনতাইসহ নানা অপরাধমুলক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে নিয়মিত টহল ছাড়াও জড়িতদের আটক করতে বিশেষ অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এছাড়া বাড়ানো হয়েছে গোয়েন্দা নজরদারি।’
প্রতিদিনের বান্দরবান
কপিরাইট © ২০২৬ প্রতিদিনের বান্দরবান । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত