বান্দরবানে দীর্ঘদিন পর বহুল প্রতীক্ষিত বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের অন্তর্বর্তীকালীন পরিষদ পুনর্গঠন করা হলেও তা স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশের মাঝে চরম অসন্তোষের জন্ম দিয়েছে।
পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের জারিকৃত প্রজ্ঞাপনে মিজ মাম্যাচিং-কে চেয়ারম্যান করে মোট ১৫ সদস্যের কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। তবে জেলার সবচেয়ে জনবহুল ও গুরুত্বপূর্ণ উপজেলা 'লামা' থেকে একজন প্রতিনিধিও কমিটিতে স্থান না পাওয়ায় সাধারণ মানুষ ও সচেতন মহলে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
সরকারি এই প্রজ্ঞাপনের প্রথম ও দ্বিতীয় পৃষ্ঠা বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, নতুন এই কমিটিতে বান্দরবান সদর, আলীকদম, রোয়াংছড়ি এবং রুমা উপজেলার বাসিন্দাদের প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। কিন্তু বিস্ময়করভাবে জেলার অন্যতম বৃহত্তম ও সমতলের সাথে যোগাযোগ রক্ষাকারী প্রধান উপজেলা লামা এবং সীমান্তবর্তী নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা থেকে কোনো প্রতিনিধি রাখা হয়নি। এর আগে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলেও লামা উপজেলা একইভাবে অবহেলিত ছিল। পর পর দুইবার এমন বঞ্চনায় স্থানীয়দের মনে তীব্র বৈষম্যের অনুভূতি তৈরি হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনের বিষয়টি নজরে আসার পর লামা ও নাইক্ষ্যংছড়ির সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "লামা একটি জনবহুল এবং অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ অঞ্চল। জেলা পরিষদের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক ও নীতিনির্ধারণী ফোরামে যদি এই অঞ্চলের কোনো কণ্ঠস্বরই না থাকে, তবে স্থানীয় উন্নয়ন প্রকল্প বরাদ্দ ও বাস্তবায়নে চরম বৈষম্য তৈরি হবে। আমাদের সমস্যাগুলো জেলা পরিষদে তুলে ধরার মতো কেউ রইল না।"
এদিকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এবং স্থানীয় চা-চক্রগুলোতে এখন এই উপেক্ষার বিষয়টিই প্রধান আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু। ভুক্তভোগী উপজেলার সচেতন নাগরিকরা সরকারের এই একপেশে সিদ্ধান্তের তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছেন। তারা অবিলম্বে এই বৈষম্যমূলক গেজেট সংশোধন করে লামা ও নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা থেকে যোগ্য ও গ্রহণযোগ্য প্রতিনিধি অন্তর্ভুক্ত করার জন্য বর্তমান সরকারের নিকট জোর দাবি জানিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ আগস্ট ২০২৬
বান্দরবানে দীর্ঘদিন পর বহুল প্রতীক্ষিত বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের অন্তর্বর্তীকালীন পরিষদ পুনর্গঠন করা হলেও তা স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশের মাঝে চরম অসন্তোষের জন্ম দিয়েছে।
পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের জারিকৃত প্রজ্ঞাপনে মিজ মাম্যাচিং-কে চেয়ারম্যান করে মোট ১৫ সদস্যের কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। তবে জেলার সবচেয়ে জনবহুল ও গুরুত্বপূর্ণ উপজেলা 'লামা' থেকে একজন প্রতিনিধিও কমিটিতে স্থান না পাওয়ায় সাধারণ মানুষ ও সচেতন মহলে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
সরকারি এই প্রজ্ঞাপনের প্রথম ও দ্বিতীয় পৃষ্ঠা বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, নতুন এই কমিটিতে বান্দরবান সদর, আলীকদম, রোয়াংছড়ি এবং রুমা উপজেলার বাসিন্দাদের প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। কিন্তু বিস্ময়করভাবে জেলার অন্যতম বৃহত্তম ও সমতলের সাথে যোগাযোগ রক্ষাকারী প্রধান উপজেলা লামা এবং সীমান্তবর্তী নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা থেকে কোনো প্রতিনিধি রাখা হয়নি। এর আগে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলেও লামা উপজেলা একইভাবে অবহেলিত ছিল। পর পর দুইবার এমন বঞ্চনায় স্থানীয়দের মনে তীব্র বৈষম্যের অনুভূতি তৈরি হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনের বিষয়টি নজরে আসার পর লামা ও নাইক্ষ্যংছড়ির সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "লামা একটি জনবহুল এবং অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ অঞ্চল। জেলা পরিষদের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক ও নীতিনির্ধারণী ফোরামে যদি এই অঞ্চলের কোনো কণ্ঠস্বরই না থাকে, তবে স্থানীয় উন্নয়ন প্রকল্প বরাদ্দ ও বাস্তবায়নে চরম বৈষম্য তৈরি হবে। আমাদের সমস্যাগুলো জেলা পরিষদে তুলে ধরার মতো কেউ রইল না।"
এদিকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এবং স্থানীয় চা-চক্রগুলোতে এখন এই উপেক্ষার বিষয়টিই প্রধান আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু। ভুক্তভোগী উপজেলার সচেতন নাগরিকরা সরকারের এই একপেশে সিদ্ধান্তের তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছেন। তারা অবিলম্বে এই বৈষম্যমূলক গেজেট সংশোধন করে লামা ও নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা থেকে যোগ্য ও গ্রহণযোগ্য প্রতিনিধি অন্তর্ভুক্ত করার জন্য বর্তমান সরকারের নিকট জোর দাবি জানিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন