দীর্ঘদিন ধরে অতিরিক্ত ভারী যানবাহন চলাচলের কারণে বান্দরবানের লামা উপজেলার ইয়াংছা কাঁঠালছড়া সড়কের গুরুত্বপূর্ণ একমাত্র ব্রিজটি এখন খুবই ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষ করে আশেপাশের ইট ভাটাগুলোতে লাকড়ি, মাটি ও ইট বহনকারী অতিরিক্ত বোঝাই ট্রাক এবং ডাম্পার নিয়মিত চলাচল করায় ব্রিজটির বিভিন্ন স্থানে ফাটল ও ক্ষয় দেখা দিয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রতিদিন শতাধিক ভারী যানবাহন ব্রিজটি ব্যবহার করলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কোনো নজরদারি নেই। এতে যে কোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছেন তারা। ব্রিজটির দুই পাশের রেলিং দুর্বল হয়ে পড়েছে এবং রাস্তার পাশের অংশ দেবে যাওয়ার লক্ষণও দেখা যাচ্ছে।
এলাকাবাসী জানান, কাঁঠালছড়া সড়কটি স্থানীয়দের চলাচলের পাশাপাশি কৃষিপণ্য পরিবহন ও শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের অন্যতম প্রধান মাধ্যম। কিন্তু ইট ভাটার ভারী গাড়ির চাপে সড়ক ও ব্রিজ দুটিই এখন মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে যোগাযোগ ব্যবস্থা ভেঙে পড়ার শঙ্কা রয়েছে।
তারা আরো বলেন, রাস্তাটি টেন্ডার হলেও কাজ শুরু করার দুইবছর আগে থেকে রাস্তার ইটগুলো তুলে মানুষের চলাচলে ভোগান্তি সৃষ্টি করেছে।
কাঁঠালছড়ার এক বাসিন্দা ক্ষিপ্ত হয়ে বলেন, ২ কিলোমিটার একটা রাস্তার কাজ শেষ করতে কয় বছর লাগে? ২ বছর আগে থেকে রাস্তার ইটগুলো তুলে মানুষের ভোগান্তি সৃষ্টি করার কারণ কি? তিনি টিকাদারের শাস্তির দাবী করেছেন।
স্থানীয় সচেতন মহল বলেন, লামার অন্যান্য ইট ভাটাগুলোতে প্রতিনিয়ত অভিযান পরিচালনা করলেও ইয়াংছার ইট ভাটা গুলোতে চোখে পড়ার মতো কোন অভিযান দেখা যায়নি। একজন বলেন, লামা উপজেলা প্রশাসন একবার এসে লোকদেখানো ২ লক্ষ টাকা করে জরিমানা করে ইট ভাটা গুলোকে বৈধতা দিয়ে গেলো। ২ লক্ষ টাকা জরিমানা দেওয়ার পর থেকে বেপরোয়া হয়ে গেলো ইট ভাটার মালিক। তিনি অতিরিক্ত বোঝাই যানবাহন নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। পাশাপাশি ঝুঁকিপূর্ণ ব্রিজে সতর্কতামূলক সাইনবোর্ড স্থাপন ও ভারী যান চলাচলে বিধিনিষেধ আরোপের দাবিও জানিয়েছেন।

শনিবার, ০৯ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ মে ২০২৬
দীর্ঘদিন ধরে অতিরিক্ত ভারী যানবাহন চলাচলের কারণে বান্দরবানের লামা উপজেলার ইয়াংছা কাঁঠালছড়া সড়কের গুরুত্বপূর্ণ একমাত্র ব্রিজটি এখন খুবই ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষ করে আশেপাশের ইট ভাটাগুলোতে লাকড়ি, মাটি ও ইট বহনকারী অতিরিক্ত বোঝাই ট্রাক এবং ডাম্পার নিয়মিত চলাচল করায় ব্রিজটির বিভিন্ন স্থানে ফাটল ও ক্ষয় দেখা দিয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রতিদিন শতাধিক ভারী যানবাহন ব্রিজটি ব্যবহার করলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কোনো নজরদারি নেই। এতে যে কোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছেন তারা। ব্রিজটির দুই পাশের রেলিং দুর্বল হয়ে পড়েছে এবং রাস্তার পাশের অংশ দেবে যাওয়ার লক্ষণও দেখা যাচ্ছে।
এলাকাবাসী জানান, কাঁঠালছড়া সড়কটি স্থানীয়দের চলাচলের পাশাপাশি কৃষিপণ্য পরিবহন ও শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের অন্যতম প্রধান মাধ্যম। কিন্তু ইট ভাটার ভারী গাড়ির চাপে সড়ক ও ব্রিজ দুটিই এখন মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে যোগাযোগ ব্যবস্থা ভেঙে পড়ার শঙ্কা রয়েছে।
তারা আরো বলেন, রাস্তাটি টেন্ডার হলেও কাজ শুরু করার দুইবছর আগে থেকে রাস্তার ইটগুলো তুলে মানুষের চলাচলে ভোগান্তি সৃষ্টি করেছে।
কাঁঠালছড়ার এক বাসিন্দা ক্ষিপ্ত হয়ে বলেন, ২ কিলোমিটার একটা রাস্তার কাজ শেষ করতে কয় বছর লাগে? ২ বছর আগে থেকে রাস্তার ইটগুলো তুলে মানুষের ভোগান্তি সৃষ্টি করার কারণ কি? তিনি টিকাদারের শাস্তির দাবী করেছেন।
স্থানীয় সচেতন মহল বলেন, লামার অন্যান্য ইট ভাটাগুলোতে প্রতিনিয়ত অভিযান পরিচালনা করলেও ইয়াংছার ইট ভাটা গুলোতে চোখে পড়ার মতো কোন অভিযান দেখা যায়নি। একজন বলেন, লামা উপজেলা প্রশাসন একবার এসে লোকদেখানো ২ লক্ষ টাকা করে জরিমানা করে ইট ভাটা গুলোকে বৈধতা দিয়ে গেলো। ২ লক্ষ টাকা জরিমানা দেওয়ার পর থেকে বেপরোয়া হয়ে গেলো ইট ভাটার মালিক। তিনি অতিরিক্ত বোঝাই যানবাহন নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। পাশাপাশি ঝুঁকিপূর্ণ ব্রিজে সতর্কতামূলক সাইনবোর্ড স্থাপন ও ভারী যান চলাচলে বিধিনিষেধ আরোপের দাবিও জানিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন