কক্সবাজারের টেকনাফে মানবপাচারকারীদের গ্রেপ্তারে সেনাবাহিনী, বিজিবি ও পুলিশের যৌথ অভিযানের সময় বন্দুকযুদ্ধে এক সেনাসদস্য নিহত হয়েছেন। নিহত সৈনিকের নাম তিতাস। তিনি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ১ বীর (১ বাংলাদেশ ইনফ্যান্ট্রি রেজিমেন্ট)-এর সদস্য ছিলেন।
সেনাবাহিনীর ১০ পদাতিক ডিভিশন সূত্রে জানা গেছে, আজ (৫ নভেম্বর) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে টেকনাফের রঙ্গিখালী আর্মি ক্যাম্প থেকে সেনাবাহিনী, বিজিবি ও পুলিশের ৬৩ সদস্যের একটি যৌথ দল নয়াপাড়া এলাকায় বিশেষ অভিযান শুরু করে। সমুদ্রপথে অবৈধভাবে মালয়েশিয়ায় পাঠানোর উদ্দেশ্যে প্রায় ১২০ জন রোহিঙ্গাকে গহিন জঙ্গলে জড়ো করে রেখেছে একদল মানবপাচারকারী—এমন সংবাদের ভিত্তিতে এই অভিযান চালানো হয়।
অভিযান চলাকালে বিকেল ৫টার দিকে যৌথ বাহিনীর সদস্যরা মানবপাচারকারীদের আস্তানা ঘেরাও করলে চোরাকারবারিরা যৌথ বাহিনীকে লক্ষ্য করে গুলি ছুড়তে শুরু করে। যৌথ বাহিনীও আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলি চালায়। উভয় পক্ষের এই গোলাগুলির একপর্যায়ে সৈনিক তিতাস কাঁধের কাছে গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হন।
তাৎক্ষণিকভাবে স্থানীয় মেডিকেল অফিসার তাঁকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেন। পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য কক্সবাজারের রামু সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) নেওয়ার পথে তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন।
সর্বশেষ পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, ওই দুর্গম এলাকায় মানবপাচারকারীদের গ্রেপ্তার এবং এই চক্রের সাথে জড়িতদের শনাক্ত করতে যৌথ বাহিনীর চিরুনি অভিযান অব্যাহত রয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো পাচারকারী আটক কিংবা রোহিঙ্গা উদ্ধারের খবর পাওয়া যায়নি।

শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ নভেম্বর ২০২৬
কক্সবাজারের টেকনাফে মানবপাচারকারীদের গ্রেপ্তারে সেনাবাহিনী, বিজিবি ও পুলিশের যৌথ অভিযানের সময় বন্দুকযুদ্ধে এক সেনাসদস্য নিহত হয়েছেন। নিহত সৈনিকের নাম তিতাস। তিনি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ১ বীর (১ বাংলাদেশ ইনফ্যান্ট্রি রেজিমেন্ট)-এর সদস্য ছিলেন।
সেনাবাহিনীর ১০ পদাতিক ডিভিশন সূত্রে জানা গেছে, আজ (৫ নভেম্বর) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে টেকনাফের রঙ্গিখালী আর্মি ক্যাম্প থেকে সেনাবাহিনী, বিজিবি ও পুলিশের ৬৩ সদস্যের একটি যৌথ দল নয়াপাড়া এলাকায় বিশেষ অভিযান শুরু করে। সমুদ্রপথে অবৈধভাবে মালয়েশিয়ায় পাঠানোর উদ্দেশ্যে প্রায় ১২০ জন রোহিঙ্গাকে গহিন জঙ্গলে জড়ো করে রেখেছে একদল মানবপাচারকারী—এমন সংবাদের ভিত্তিতে এই অভিযান চালানো হয়।
অভিযান চলাকালে বিকেল ৫টার দিকে যৌথ বাহিনীর সদস্যরা মানবপাচারকারীদের আস্তানা ঘেরাও করলে চোরাকারবারিরা যৌথ বাহিনীকে লক্ষ্য করে গুলি ছুড়তে শুরু করে। যৌথ বাহিনীও আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলি চালায়। উভয় পক্ষের এই গোলাগুলির একপর্যায়ে সৈনিক তিতাস কাঁধের কাছে গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হন।
তাৎক্ষণিকভাবে স্থানীয় মেডিকেল অফিসার তাঁকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেন। পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য কক্সবাজারের রামু সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) নেওয়ার পথে তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন।
সর্বশেষ পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, ওই দুর্গম এলাকায় মানবপাচারকারীদের গ্রেপ্তার এবং এই চক্রের সাথে জড়িতদের শনাক্ত করতে যৌথ বাহিনীর চিরুনি অভিযান অব্যাহত রয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো পাচারকারী আটক কিংবা রোহিঙ্গা উদ্ধারের খবর পাওয়া যায়নি।

আপনার মতামত লিখুন