বান্দরবানের লামা উপজেলায় আজ সোমবার (২৬ অক্টোবর) বিকেলে বজ্রপাতের পৃথক ঘটনায় এক স্কুল দপ্তরি ও এক শিশুসহ ২ জন নিহত হয়েছেন। এ সময় আরও ২ শিশু গুরুতর আহত হয়েছে। বিকেল আনুমানিক ৫টার দিকে উপজেলার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের হ্লাথুই পাড়া এবং বড়ছনখোলা এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন—ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের হ্লাথুই পাড়ার বাসিন্দা ও নাইক্ষ্যংমুখ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দপ্তরি মং প্রু মার্মা (৪০) এবং ৫নং ওয়ার্ডের বড়ছনখোলা এলাকার মোহাম্মদ ছাদেক ও বেবী আক্তারের ছেলে মোঃ সজিব (১১)।
স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বিকেলে হ্লাথুই পাড়ার মং প্রু মার্মা তাঁর বাবার সাথে বাড়ির পাশের জমিতে কাজ করছিলেন। এ সময় হঠাৎ বজ্রপাত হলে ঘটনাস্থলেই মং প্রু মার্মা মারা যান।
অন্যদিকে, একই সময়ে বড়ছনখোলা এলাকায় বাড়ির উঠানে আরও কয়েকজন শিশুর সাথে খেলা করছিল ১১ বছরের শিশু সজিব। সেখানে আকস্মিক বজ্রপাতে সজিবসহ তিন শিশু গুরুতর আহত হয়। তাদের উদ্ধার করে দ্রুত পার্শ্ববর্তী চকরিয়া সরকারি হাসপাতালে নিয়ে গেলে জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক সজিবকে মৃত ঘোষণা করেন।
এই ঘটনায় আহত অপর দুই শিশু—নুর মনু (১২) ও মোহাম্মদ হানিফ (৮) বর্তমানে চকরিয়া সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
লামার কুমারী পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ উপ-পরিদর্শক (এসআই) জামিল হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের পৃথক দুটি স্থানে বজ্রপাতে শিশুসহ দুইজন মারা গেছেন। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বাকি দুই শিশুর অবস্থা বর্তমানে স্থিতিশীল ও আশঙ্কামুক্ত রয়েছে।

সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ অক্টোবর ২০২৬
বান্দরবানের লামা উপজেলায় আজ সোমবার (২৬ অক্টোবর) বিকেলে বজ্রপাতের পৃথক ঘটনায় এক স্কুল দপ্তরি ও এক শিশুসহ ২ জন নিহত হয়েছেন। এ সময় আরও ২ শিশু গুরুতর আহত হয়েছে। বিকেল আনুমানিক ৫টার দিকে উপজেলার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের হ্লাথুই পাড়া এবং বড়ছনখোলা এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন—ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের হ্লাথুই পাড়ার বাসিন্দা ও নাইক্ষ্যংমুখ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দপ্তরি মং প্রু মার্মা (৪০) এবং ৫নং ওয়ার্ডের বড়ছনখোলা এলাকার মোহাম্মদ ছাদেক ও বেবী আক্তারের ছেলে মোঃ সজিব (১১)।
স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বিকেলে হ্লাথুই পাড়ার মং প্রু মার্মা তাঁর বাবার সাথে বাড়ির পাশের জমিতে কাজ করছিলেন। এ সময় হঠাৎ বজ্রপাত হলে ঘটনাস্থলেই মং প্রু মার্মা মারা যান।
অন্যদিকে, একই সময়ে বড়ছনখোলা এলাকায় বাড়ির উঠানে আরও কয়েকজন শিশুর সাথে খেলা করছিল ১১ বছরের শিশু সজিব। সেখানে আকস্মিক বজ্রপাতে সজিবসহ তিন শিশু গুরুতর আহত হয়। তাদের উদ্ধার করে দ্রুত পার্শ্ববর্তী চকরিয়া সরকারি হাসপাতালে নিয়ে গেলে জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক সজিবকে মৃত ঘোষণা করেন।
এই ঘটনায় আহত অপর দুই শিশু—নুর মনু (১২) ও মোহাম্মদ হানিফ (৮) বর্তমানে চকরিয়া সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
লামার কুমারী পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ উপ-পরিদর্শক (এসআই) জামিল হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের পৃথক দুটি স্থানে বজ্রপাতে শিশুসহ দুইজন মারা গেছেন। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বাকি দুই শিশুর অবস্থা বর্তমানে স্থিতিশীল ও আশঙ্কামুক্ত রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন