বদলি আদেশের বোম ফুটতেই বান্দরবান জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে দেখা গেছে এক নজিরবিহীন ও রহস্যময় ‘ঝড়ের গতি’! স্বাভাবিক দাপ্তরিক সময়সীমা পার হয়ে ঘড়ির কাঁটা যখন গভীর রাতের দিকে ছুটছে, তখনও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দম ফেলার ফুসরত নেই। আজ বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) রাত ৯টা পর্যন্ত হ্যারিকেন জ্বালিয়ে অফিসের বিভিন্ন শাখায় ফাইলপত্রের পাহাড় নিয়ে টানা কাজ করতে দেখা গেছে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের। বদলির খবরের দিনেই রাত অবধি এমন অদ্ভুত তড়িঘড়ি কার্যক্রম ঘিরে পুরো জেলার প্রশাসনিক অঙ্গনে তৈরি হয়েছে তীব্র সন্দেহের বাষ্প।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ডিসি সাহেবের বিদায়ের খবর চাউর হতেই যেন ঘুম হারাম হয়ে যায় সবার। সাধারণ কর্মঘণ্টা শেষ হওয়ার বহু পর পর্যন্ত দপ্তরটির প্রতিটি জানালার বাতি জ্বলজ্বল করা এবং গোপন ফাইলের পাতা ওল্টানোর দৃশ্য দেখে অনেকেই চোখ কপালে তুলেছেন।
সংশ্লিষ্ট পাকা সূত্র বলছে, গুরুত্বপূর্ণ ফাইল তড়িঘড়ি নিষ্পত্তি, বিশেষ কোনো দাপ্তরিক কাজ দ্রুত ধামাচাপা দেওয়া কিংবা গোছানোর জন্যই নাকি এই ‘নাইট শিফট’ ডিউটি। তবে ঠিক কোন মধুমাখা জরুরি ফাইল সই করতে বা কোন রহস্যময় কার্যক্রম ধামাচাপা দিতে এত গভীর রাত পর্যন্ত বাতি জ্বালিয়ে রাখতে হলো, সে বিষয়ে জেলা প্রশাসনের বড় কর্তারা মুখে কুলুপ এঁটেছেন। তাদের এই রহস্যজনক নীরবতা সন্দেহকে আরও উসকে দিচ্ছে।
এদিকে নতুন ডিসির সিংহাসনে বসার আগেই বিদায়ী কর্মকর্তার এই রাতের আঁধারের দৌড়ঝাঁপ সাধারণ মানুষের মনে গভীর প্রশ্ন তুলেছে—এটা কি শুধুই দায়িত্ব হস্তান্তর, নাকি বিদায়ের আগে কোনো বিশেষ ফাইল পার করার শেষ মুহূর্তের মরিয়া চেষ্টা?
স্থানীয়দের একাংশ এটাকে ‘সরকারি কর্তব্যে নিষ্ঠা’ বলে হালকা করার চেষ্টা করলেও সচেতন মহল সাফ বলছেন, "বদলির দিনেই কেন এত রাতের পাহারাদারি? এখানে ডাল মে কুছ কালা হ্যায়!" প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ও সততার মুখোশ ধরে রাখতে হলে এই রাতের রহস্য উন্মোচন করা উচিত। আপাতত কোন কোন শাখায় রাত জেগে কী কী ‘মহৎ কর্ম’ সম্পন্ন হলো, তার ভেতরের খবর বের করতে অনুসন্ধান চলছে।

শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ অক্টোবর ২০২৬
বদলি আদেশের বোম ফুটতেই বান্দরবান জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে দেখা গেছে এক নজিরবিহীন ও রহস্যময় ‘ঝড়ের গতি’! স্বাভাবিক দাপ্তরিক সময়সীমা পার হয়ে ঘড়ির কাঁটা যখন গভীর রাতের দিকে ছুটছে, তখনও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দম ফেলার ফুসরত নেই। আজ বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) রাত ৯টা পর্যন্ত হ্যারিকেন জ্বালিয়ে অফিসের বিভিন্ন শাখায় ফাইলপত্রের পাহাড় নিয়ে টানা কাজ করতে দেখা গেছে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের। বদলির খবরের দিনেই রাত অবধি এমন অদ্ভুত তড়িঘড়ি কার্যক্রম ঘিরে পুরো জেলার প্রশাসনিক অঙ্গনে তৈরি হয়েছে তীব্র সন্দেহের বাষ্প।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ডিসি সাহেবের বিদায়ের খবর চাউর হতেই যেন ঘুম হারাম হয়ে যায় সবার। সাধারণ কর্মঘণ্টা শেষ হওয়ার বহু পর পর্যন্ত দপ্তরটির প্রতিটি জানালার বাতি জ্বলজ্বল করা এবং গোপন ফাইলের পাতা ওল্টানোর দৃশ্য দেখে অনেকেই চোখ কপালে তুলেছেন।
সংশ্লিষ্ট পাকা সূত্র বলছে, গুরুত্বপূর্ণ ফাইল তড়িঘড়ি নিষ্পত্তি, বিশেষ কোনো দাপ্তরিক কাজ দ্রুত ধামাচাপা দেওয়া কিংবা গোছানোর জন্যই নাকি এই ‘নাইট শিফট’ ডিউটি। তবে ঠিক কোন মধুমাখা জরুরি ফাইল সই করতে বা কোন রহস্যময় কার্যক্রম ধামাচাপা দিতে এত গভীর রাত পর্যন্ত বাতি জ্বালিয়ে রাখতে হলো, সে বিষয়ে জেলা প্রশাসনের বড় কর্তারা মুখে কুলুপ এঁটেছেন। তাদের এই রহস্যজনক নীরবতা সন্দেহকে আরও উসকে দিচ্ছে।
এদিকে নতুন ডিসির সিংহাসনে বসার আগেই বিদায়ী কর্মকর্তার এই রাতের আঁধারের দৌড়ঝাঁপ সাধারণ মানুষের মনে গভীর প্রশ্ন তুলেছে—এটা কি শুধুই দায়িত্ব হস্তান্তর, নাকি বিদায়ের আগে কোনো বিশেষ ফাইল পার করার শেষ মুহূর্তের মরিয়া চেষ্টা?
স্থানীয়দের একাংশ এটাকে ‘সরকারি কর্তব্যে নিষ্ঠা’ বলে হালকা করার চেষ্টা করলেও সচেতন মহল সাফ বলছেন, "বদলির দিনেই কেন এত রাতের পাহারাদারি? এখানে ডাল মে কুছ কালা হ্যায়!" প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ও সততার মুখোশ ধরে রাখতে হলে এই রাতের রহস্য উন্মোচন করা উচিত। আপাতত কোন কোন শাখায় রাত জেগে কী কী ‘মহৎ কর্ম’ সম্পন্ন হলো, তার ভেতরের খবর বের করতে অনুসন্ধান চলছে।

আপনার মতামত লিখুন