ক্ষমতার কেন্দ্রে একক চালক: ভূমিসহ পুরো লামা এখন ইউএনওর নিয়ন্ত্রণে, 'ওপরের লেভেলের' ইশারায় বদলিও হাওয়া ও রহস্যময় বিদেশ সফর!
বান্দরবানের লামা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোঃ মঈন উদ্দিনের সপরিবারে বিদেশ সফর ঘিরে যে রহস্য তৈরি হয়েছিল, তার নেপথ্যে এবার বেরিয়ে আসছে এক নজিরবিহীন প্রশাসনিক একাধিপত্য ও কোটি কোটি টাকা নয়ছয়ের সুনির্দিষ্ট রূপরেখা। দেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর গত ২ ফেব্রুয়ারি ২০২৫-এ লামায় যোগদানের পর থেকেই তাঁর প্রশাসনিক প্রভাব এবং অলৌকিক খুঁটির জোর নিয়ে পুরো পার্বত্য অঞ্চল জুড়ে চলছে তীব্র সমালোচনা।
দাপ্তরিক সূত্র ও অনুসন্ধানে জানা গেছে, দেশের খুব কম কর্মকর্তার ভাগ্যেই এমন নজিরবিহীন ক্ষমতার নিয়ন্ত্রণ জুটেছে। ইউএনও মোঃ মঈন উদ্দিন তাঁর মূল পদের পাশাপাশি একাধারে লামা পৌর প্রশাসক, উপজেলা পরিষদ প্রশাসক এবং ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক হিসেবে অতিরিক্ত দায়িত্ব লাভ করেন। একই সাথে বর্তমান সহকারী কমিশনার (ভূমি) বা এসিল্যান্ড না থাকায় অতিরিক্ত কাজও তাঁর হাতে। সহজ কথায়, একটি উপজেলার শহর (পৌরসভা), গ্রাম (ইউনিয়ন পরিষদ) এবং সামগ্রিক প্রশাসন—সব স্তরেরই নির্বাহী ও আর্থিক ক্ষমতা এখন একজন মাত্র ব্যক্তির হাতে, যা দেশের ইতিহাসে নজীর!
সাধারণ নিয়মে যেখানে ৫-জন ভিন্ন জনপ্রতিনিধি বা কর্মকর্তার মধ্যে ক্ষমতার ভারসাম্য থাকার কথা, সেখানে এক ব্যক্তির হাতে এই একচ্ছত্র রাজত্ব থাকায় কোনো প্রাতিষ্ঠানিক জবাবদিহিতা থাকছে না!
সচেতন মহলের অভিযোগ, একই ব্যক্তির হাতে পুরো উপজেলার সমস্ত অর্থনৈতিক ও প্রশাসনিক খাতগুলোর চাবিকাঠি থাকায় সেখানে জবাবদিহিতার ন্যূনতম বালাই নেই। এই সর্বময় ক্ষমতার অপব্যবহার করে পৌরসভা ও উপজেলার বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের বরাদ্দকৃত অর্থ লোকদেখানো কাজ করে হরিলুট করা হয়েছে বলে অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
অনুসন্ধানে আরও একটি অত্যন্ত চাঞ্চল্যকর এবং নজিরবিহীন প্রশাসনিক অধ্যায় বেরিয়ে এসেছে। বিগত জাতীয় নির্বাচনের ঠিক আগে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) বাধ্যতামূলক ও কঠোর নির্দেশনায় মাঠ প্রশাসনের নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে দেশের প্রায় সব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে (ইউএনও) একযোগে বদলি করা হয়েছিল। দেশের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে রদবদলের সেই ঝড়েও সম্পূর্ণ অক্ষত ও বহাল তবিয়তে থেকে যান লামার এই প্রভাবশালী কর্মকর্তা। সাধারণত নির্বাচনের আগে দীর্ঘ সময় একই কর্মস্থলে থাকা কোনো কর্মকর্তাকে রাখার নিয়ম না থাকলেও, ইউএনও মঈন উদ্দিনের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রের সেই সাধারণ ও বাধ্যতামূলক সিদ্ধান্তও অচল হয়ে পড়ে। দেশজুড়ে শত শত কর্মকর্তার বদলির আদেশ জারি হলেও লামার আসনটি থেকে তাঁর নাম সরাতে পারেনি কোনো অদৃশ্য শক্তি!
স্থানীয় সচেতন নাগরিকদের দাবি, দেশ কাঁপানো সেই প্রশাসনিক রদবদল ঠেকিয়ে দেওয়ার পর থেকেই তাঁর অলৌকিক খুঁটির জোর এবং "ওপরের লেভেলের গভীর লবিং"-এর বিষয়টি এলাকায় ওপেন সিক্রেট হয়ে দাঁড়ায়। রাজনৈতিক পটপরিবর্তন কিংবা নির্বাচনের হাওয়া—কোনো কিছুই তাঁর এই ৫ পদের সাম্রাজ্য ও একচ্ছত্র রাজত্বে এক চুলও ফাটল ধরাতে পারেনি। সরকারি বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন উঠেছে, রাষ্ট্রের নির্বাচনকালীন বিশেষ প্রশাসনিক আদেশের চেয়েও কোন্ অদৃশ্য তদবির ও সিন্ডিকেটের ক্ষমতা বেশি শক্তিশালী ছিল?
এদিকে সাম্প্রতিক সময়ে একাধিকবার তাঁর বদলির প্রজ্ঞাপন বা প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে এলাকা জুড়ে জোর গুঞ্জন শোনা গেলেও প্রতিবারই এক অদৃশ্য জাদুবলে তিনি নিজের আসন পাকাপোক্ত করে রেখেছেন।
স্থানীয়দের দাবি, ঘনিষ্ঠ মহলে তিনি নিজেই গর্ব করে বলতেন, "তাঁর ওপরের লেভেলের সংযোগ ও লবিং খুবই ভালো।"
তবে সরকারি বিভিন্ন দাপ্তরিক ওয়েবসাইট (যেমন: জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ও বান্দরবান জেলা প্রশাসন) পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, তাঁর বদলি সংক্রান্ত কোনো অফিশিয়াল প্রজ্ঞাপন বা বাতিল আদেশের কপি আর্কাইভে নেই। দাপ্তরিকভাবে কোনো বদলির আদেশ প্রকাশ না হওয়া সত্ত্বেও এলাকায় যে গুঞ্জনটি ডালপালা মেলেছে, তা মূলত তাঁর একচ্ছত্র ৫ পদের প্রশাসনিক আধিপত্য ও সিন্ডিকেট বাণিজ্যের কারণে সাধারণ মানুষের মনে তীব্র সন্দেহের দানা বেঁধেছে।
অনুসন্ধানে দেখা গেছে, গত ১৯ জুলাই জেলা প্রশাসনের এক অফিস আদেশে সপরিবারে তাঁর থাইল্যান্ড ভ্রমণের ছুটি মঞ্জুর করা হয়। যদিও স্থানীয় সচেতন মহলে সুনির্দিষ্ট গুঞ্জন রয়েছে যে, ৫ পদের প্রভাব খাটিয়ে ইটভাটা ও অবৈধ বালু সিন্ডিকেট থেকে অর্জিত বিপুল অর্থ বিতর্কিত সুইস ব্যাংকে (Swiss Bank) পাচারের উদ্দেশ্যেই এই রহস্যময় বিদেশ সফর সাজানো হয়ে থাকতে পারে।
প্রশাসনের নজরদারি এড়াতে বা জনমনে ধোঁয়াশা তৈরি করতে অনেক সময় ট্রানজিট রুট বা তৃতীয় কোনো দেশকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করার নজির নতুন কিছু নয়। সরকারি কাগজে 'ব্যক্তিগত খরচে ভ্রমণ' উল্লেখ থাকলেও, একজন সরকারি চাকুরিজীবীর ৫ পদের রাজত্বে অর্জিত আয়ের সাথে এই ব্যয়বহুল বিদেশ সফরের সামঞ্জস্যতা নিয়ে তীব্র ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে।
উত্থাপিত এসব গুরুতর অভিযোগ, অতিরিক্ত দায়িত্বের প্রভাব এবং বদলি বাতিলের তদবিরের বিষয়ে জানতে ইউএনও মোঃ মঈন উদ্দিনের অফিশিয়াল মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। বান্দরবান জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, সুনির্দিষ্ট কোনো কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার বা আর্থিক অনিয়মের লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেলে বিধি মোতাবেক তদন্ত সাপেক্ষ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
লামার সচেতন নাগরিক সমাজ মনে করে, এই ৫ পদের ছায়ায় চালিত আর্থিক অনিয়ম, নির্বাচনের সময় বদলি না হওয়া এবং রহস্যময় বিদেশ সফরের প্রকৃত সত্য উদ্ঘাটনে অবিলম্বে উচ্চপর্যায়ের নিরপেক্ষ ও জুডিশিয়াল তদন্ত প্রয়োজন।
অনুসন্ধান প্রতিবেদন ৩
(আগামী পর্বে চোখ রাখুন...)

শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ক্ষমতার কেন্দ্রে একক চালক: ভূমিসহ পুরো লামা এখন ইউএনওর নিয়ন্ত্রণে, 'ওপরের লেভেলের' ইশারায় বদলিও হাওয়া ও রহস্যময় বিদেশ সফর!
বান্দরবানের লামা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোঃ মঈন উদ্দিনের সপরিবারে বিদেশ সফর ঘিরে যে রহস্য তৈরি হয়েছিল, তার নেপথ্যে এবার বেরিয়ে আসছে এক নজিরবিহীন প্রশাসনিক একাধিপত্য ও কোটি কোটি টাকা নয়ছয়ের সুনির্দিষ্ট রূপরেখা। দেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর গত ২ ফেব্রুয়ারি ২০২৫-এ লামায় যোগদানের পর থেকেই তাঁর প্রশাসনিক প্রভাব এবং অলৌকিক খুঁটির জোর নিয়ে পুরো পার্বত্য অঞ্চল জুড়ে চলছে তীব্র সমালোচনা।
দাপ্তরিক সূত্র ও অনুসন্ধানে জানা গেছে, দেশের খুব কম কর্মকর্তার ভাগ্যেই এমন নজিরবিহীন ক্ষমতার নিয়ন্ত্রণ জুটেছে। ইউএনও মোঃ মঈন উদ্দিন তাঁর মূল পদের পাশাপাশি একাধারে লামা পৌর প্রশাসক, উপজেলা পরিষদ প্রশাসক এবং ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক হিসেবে অতিরিক্ত দায়িত্ব লাভ করেন। একই সাথে বর্তমান সহকারী কমিশনার (ভূমি) বা এসিল্যান্ড না থাকায় অতিরিক্ত কাজও তাঁর হাতে। সহজ কথায়, একটি উপজেলার শহর (পৌরসভা), গ্রাম (ইউনিয়ন পরিষদ) এবং সামগ্রিক প্রশাসন—সব স্তরেরই নির্বাহী ও আর্থিক ক্ষমতা এখন একজন মাত্র ব্যক্তির হাতে, যা দেশের ইতিহাসে নজীর!
সাধারণ নিয়মে যেখানে ৫-জন ভিন্ন জনপ্রতিনিধি বা কর্মকর্তার মধ্যে ক্ষমতার ভারসাম্য থাকার কথা, সেখানে এক ব্যক্তির হাতে এই একচ্ছত্র রাজত্ব থাকায় কোনো প্রাতিষ্ঠানিক জবাবদিহিতা থাকছে না!
সচেতন মহলের অভিযোগ, একই ব্যক্তির হাতে পুরো উপজেলার সমস্ত অর্থনৈতিক ও প্রশাসনিক খাতগুলোর চাবিকাঠি থাকায় সেখানে জবাবদিহিতার ন্যূনতম বালাই নেই। এই সর্বময় ক্ষমতার অপব্যবহার করে পৌরসভা ও উপজেলার বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের বরাদ্দকৃত অর্থ লোকদেখানো কাজ করে হরিলুট করা হয়েছে বলে অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
অনুসন্ধানে আরও একটি অত্যন্ত চাঞ্চল্যকর এবং নজিরবিহীন প্রশাসনিক অধ্যায় বেরিয়ে এসেছে। বিগত জাতীয় নির্বাচনের ঠিক আগে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) বাধ্যতামূলক ও কঠোর নির্দেশনায় মাঠ প্রশাসনের নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে দেশের প্রায় সব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে (ইউএনও) একযোগে বদলি করা হয়েছিল। দেশের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে রদবদলের সেই ঝড়েও সম্পূর্ণ অক্ষত ও বহাল তবিয়তে থেকে যান লামার এই প্রভাবশালী কর্মকর্তা। সাধারণত নির্বাচনের আগে দীর্ঘ সময় একই কর্মস্থলে থাকা কোনো কর্মকর্তাকে রাখার নিয়ম না থাকলেও, ইউএনও মঈন উদ্দিনের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রের সেই সাধারণ ও বাধ্যতামূলক সিদ্ধান্তও অচল হয়ে পড়ে। দেশজুড়ে শত শত কর্মকর্তার বদলির আদেশ জারি হলেও লামার আসনটি থেকে তাঁর নাম সরাতে পারেনি কোনো অদৃশ্য শক্তি!
স্থানীয় সচেতন নাগরিকদের দাবি, দেশ কাঁপানো সেই প্রশাসনিক রদবদল ঠেকিয়ে দেওয়ার পর থেকেই তাঁর অলৌকিক খুঁটির জোর এবং "ওপরের লেভেলের গভীর লবিং"-এর বিষয়টি এলাকায় ওপেন সিক্রেট হয়ে দাঁড়ায়। রাজনৈতিক পটপরিবর্তন কিংবা নির্বাচনের হাওয়া—কোনো কিছুই তাঁর এই ৫ পদের সাম্রাজ্য ও একচ্ছত্র রাজত্বে এক চুলও ফাটল ধরাতে পারেনি। সরকারি বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন উঠেছে, রাষ্ট্রের নির্বাচনকালীন বিশেষ প্রশাসনিক আদেশের চেয়েও কোন্ অদৃশ্য তদবির ও সিন্ডিকেটের ক্ষমতা বেশি শক্তিশালী ছিল?
এদিকে সাম্প্রতিক সময়ে একাধিকবার তাঁর বদলির প্রজ্ঞাপন বা প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে এলাকা জুড়ে জোর গুঞ্জন শোনা গেলেও প্রতিবারই এক অদৃশ্য জাদুবলে তিনি নিজের আসন পাকাপোক্ত করে রেখেছেন।
স্থানীয়দের দাবি, ঘনিষ্ঠ মহলে তিনি নিজেই গর্ব করে বলতেন, "তাঁর ওপরের লেভেলের সংযোগ ও লবিং খুবই ভালো।"
তবে সরকারি বিভিন্ন দাপ্তরিক ওয়েবসাইট (যেমন: জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ও বান্দরবান জেলা প্রশাসন) পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, তাঁর বদলি সংক্রান্ত কোনো অফিশিয়াল প্রজ্ঞাপন বা বাতিল আদেশের কপি আর্কাইভে নেই। দাপ্তরিকভাবে কোনো বদলির আদেশ প্রকাশ না হওয়া সত্ত্বেও এলাকায় যে গুঞ্জনটি ডালপালা মেলেছে, তা মূলত তাঁর একচ্ছত্র ৫ পদের প্রশাসনিক আধিপত্য ও সিন্ডিকেট বাণিজ্যের কারণে সাধারণ মানুষের মনে তীব্র সন্দেহের দানা বেঁধেছে।
অনুসন্ধানে দেখা গেছে, গত ১৯ জুলাই জেলা প্রশাসনের এক অফিস আদেশে সপরিবারে তাঁর থাইল্যান্ড ভ্রমণের ছুটি মঞ্জুর করা হয়। যদিও স্থানীয় সচেতন মহলে সুনির্দিষ্ট গুঞ্জন রয়েছে যে, ৫ পদের প্রভাব খাটিয়ে ইটভাটা ও অবৈধ বালু সিন্ডিকেট থেকে অর্জিত বিপুল অর্থ বিতর্কিত সুইস ব্যাংকে (Swiss Bank) পাচারের উদ্দেশ্যেই এই রহস্যময় বিদেশ সফর সাজানো হয়ে থাকতে পারে।
প্রশাসনের নজরদারি এড়াতে বা জনমনে ধোঁয়াশা তৈরি করতে অনেক সময় ট্রানজিট রুট বা তৃতীয় কোনো দেশকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করার নজির নতুন কিছু নয়। সরকারি কাগজে 'ব্যক্তিগত খরচে ভ্রমণ' উল্লেখ থাকলেও, একজন সরকারি চাকুরিজীবীর ৫ পদের রাজত্বে অর্জিত আয়ের সাথে এই ব্যয়বহুল বিদেশ সফরের সামঞ্জস্যতা নিয়ে তীব্র ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে।
উত্থাপিত এসব গুরুতর অভিযোগ, অতিরিক্ত দায়িত্বের প্রভাব এবং বদলি বাতিলের তদবিরের বিষয়ে জানতে ইউএনও মোঃ মঈন উদ্দিনের অফিশিয়াল মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। বান্দরবান জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, সুনির্দিষ্ট কোনো কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার বা আর্থিক অনিয়মের লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেলে বিধি মোতাবেক তদন্ত সাপেক্ষ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
লামার সচেতন নাগরিক সমাজ মনে করে, এই ৫ পদের ছায়ায় চালিত আর্থিক অনিয়ম, নির্বাচনের সময় বদলি না হওয়া এবং রহস্যময় বিদেশ সফরের প্রকৃত সত্য উদ্ঘাটনে অবিলম্বে উচ্চপর্যায়ের নিরপেক্ষ ও জুডিশিয়াল তদন্ত প্রয়োজন।
অনুসন্ধান প্রতিবেদন ৩
(আগামী পর্বে চোখ রাখুন...)

আপনার মতামত লিখুন