বান্দরবানের লামা উপজেলায় এক কিশোরীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত কিশোরীর নাম নাসরিন সোলতানা (১৫)। বুধবার (৭ অক্টোবর) উপজেলার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের হায়দারনাশী এলাকার অংশারঝিরি থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
এই ঘটনায় প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বেলাল (২০) নামে এক যুবককে আটক করেছে লামা থানা পুলিশ।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নিহত নাসরিন সোলতানা হায়দারনাশী এলাকার বাসিন্দা আব্দু গফুর ও রুপিয়া খাতুনের মেয়ে। অন্যদিকে, আটক বেলাল একই এলাকার মৃত আবু তালেক ও ফরিদা বেগমের ছেলে। স্থানীয়দের মাঝে গুঞ্জন রয়েছে, নাসরিন ও বেলালের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক ছিল। এই সম্পর্কের জেরে মৃত্যুর পেছনে বেলালের কোনো সম্পৃক্ততা রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখতেই তাকে আটক করা হয়েছে।
বুধবার স্থানীয় লোকজনের কাছ থেকে খবর পেয়ে লামা থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরির পাশাপাশি প্রয়োজনীয় আলামত ও তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করেছে।
লামা থানা পুলিশ জানিয়েছে, মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এটি হত্যা নাকি আত্মহত্যা—তা নিশ্চিত হতে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হচ্ছে। তদন্ত এবং ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিকে কিশোরীর এই রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনায় হায়দারনাশী ও আশপাশের এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। নিহতের পরিবার ও স্বজনদের মধ্যে নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া।

শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ অক্টোবর ২০২৬
বান্দরবানের লামা উপজেলায় এক কিশোরীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত কিশোরীর নাম নাসরিন সোলতানা (১৫)। বুধবার (৭ অক্টোবর) উপজেলার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের হায়দারনাশী এলাকার অংশারঝিরি থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
এই ঘটনায় প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বেলাল (২০) নামে এক যুবককে আটক করেছে লামা থানা পুলিশ।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নিহত নাসরিন সোলতানা হায়দারনাশী এলাকার বাসিন্দা আব্দু গফুর ও রুপিয়া খাতুনের মেয়ে। অন্যদিকে, আটক বেলাল একই এলাকার মৃত আবু তালেক ও ফরিদা বেগমের ছেলে। স্থানীয়দের মাঝে গুঞ্জন রয়েছে, নাসরিন ও বেলালের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক ছিল। এই সম্পর্কের জেরে মৃত্যুর পেছনে বেলালের কোনো সম্পৃক্ততা রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখতেই তাকে আটক করা হয়েছে।
বুধবার স্থানীয় লোকজনের কাছ থেকে খবর পেয়ে লামা থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরির পাশাপাশি প্রয়োজনীয় আলামত ও তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করেছে।
লামা থানা পুলিশ জানিয়েছে, মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এটি হত্যা নাকি আত্মহত্যা—তা নিশ্চিত হতে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হচ্ছে। তদন্ত এবং ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিকে কিশোরীর এই রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনায় হায়দারনাশী ও আশপাশের এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। নিহতের পরিবার ও স্বজনদের মধ্যে নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া।

আপনার মতামত লিখুন