প্রতিদিনের বান্দরবান

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক আধুনিকায়নে মেগা প্রকল্প, ব্যয় ৮৫৫৬ কোটি



চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক আধুনিকায়নে মেগা প্রকল্প, ব্যয় ৮৫৫৬ কোটি
ছবি: প্রতীকী

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের দীর্ঘদিনের যানজট নিরসন ও যোগাযোগব্যবস্থা আধুনিকায়নে বড় প্রকল্প হাতে নিয়েছে সরকার। এই প্রকল্পের আওতায় মহাসড়কের সবচেয়ে যানজটপূর্ণ পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান উন্নয়নের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থার (জাইকা) সমীক্ষার ভিত্তিতে গৃহীত এই মেগা প্রকল্পের মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৮ লাখ ৫৫ হাজার ৬১৬ দশমিক ৬০ লাখ টাকা (প্রায় ৮,৫৫৬ কোটি টাকা)।

প্রস্তাবিত নকশা অনুযায়ী, পটিয়া, দোহাজারী, কেরানীহাট, লোহাগাড়ার আমিরাবাদ ও চকরিয়ায় মোট ২৪ দশমিক ১ কিলোমিটার সড়ক ও উড়ালসড়ক নির্মাণ করা হবে। এর মধ্যে পটিয়া ও চকরিয়ায় নতুন বাইপাস সড়ক নির্মাণ, দোহাজারী ও আমিরাবাদে বিদ্যমান সড়ক চার লেনে উন্নীতকরণ এবং কেরানীহাটে একটি আধুনিক ফ্লাইওভার নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে।

প্রকল্পের নকশায় স্থানীয় ও ধীরগতির যানবাহনের জন্য আলাদা সার্ভিস রোডের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এছাড়া ভবিষ্যতে যানবাহনের চাপ বাড়লে মূল সড়কটি ছয় লেনে উন্নীত করার সুযোগ রাখা হচ্ছে। প্রকল্প উপপরিচালক নাসরিন আরা শাহীন জানান, বর্তমানে প্রকল্পটির বিস্তারিত নকশা প্রণয়নের কাজ চলছে, তবে ভূমি অধিগ্রহণের কাজ এখনো শুরু হয়নি।

জাইকার ২০২২ সালের সমীক্ষা অনুযায়ী, এই মহাসড়কের বিভিন্ন বাজার এলাকায় অবৈধ দখল, অস্থায়ী দোকানপাট ও ধীরগতির যানবাহনের কারণে দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হচ্ছে, যা যাত্রী ও পণ্য পরিবহনে বড় বাধা। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর চালু হলে এই মহাসড়কের গুরুত্ব আরও বহুগুণ বাড়বে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের মধ্যে যোগাযোগ সহজ হওয়ার পাশাপাশি পণ্য পরিবহন আরও নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন হবে।

আপনার মতামত লিখুন

প্রতিদিনের বান্দরবান

শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬


চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক আধুনিকায়নে মেগা প্রকল্প, ব্যয় ৮৫৫৬ কোটি

প্রকাশের তারিখ : ২৩ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের দীর্ঘদিনের যানজট নিরসন ও যোগাযোগব্যবস্থা আধুনিকায়নে বড় প্রকল্প হাতে নিয়েছে সরকার। এই প্রকল্পের আওতায় মহাসড়কের সবচেয়ে যানজটপূর্ণ পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান উন্নয়নের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থার (জাইকা) সমীক্ষার ভিত্তিতে গৃহীত এই মেগা প্রকল্পের মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৮ লাখ ৫৫ হাজার ৬১৬ দশমিক ৬০ লাখ টাকা (প্রায় ৮,৫৫৬ কোটি টাকা)।

প্রস্তাবিত নকশা অনুযায়ী, পটিয়া, দোহাজারী, কেরানীহাট, লোহাগাড়ার আমিরাবাদ ও চকরিয়ায় মোট ২৪ দশমিক ১ কিলোমিটার সড়ক ও উড়ালসড়ক নির্মাণ করা হবে। এর মধ্যে পটিয়া ও চকরিয়ায় নতুন বাইপাস সড়ক নির্মাণ, দোহাজারী ও আমিরাবাদে বিদ্যমান সড়ক চার লেনে উন্নীতকরণ এবং কেরানীহাটে একটি আধুনিক ফ্লাইওভার নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে।

প্রকল্পের নকশায় স্থানীয় ও ধীরগতির যানবাহনের জন্য আলাদা সার্ভিস রোডের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এছাড়া ভবিষ্যতে যানবাহনের চাপ বাড়লে মূল সড়কটি ছয় লেনে উন্নীত করার সুযোগ রাখা হচ্ছে। প্রকল্প উপপরিচালক নাসরিন আরা শাহীন জানান, বর্তমানে প্রকল্পটির বিস্তারিত নকশা প্রণয়নের কাজ চলছে, তবে ভূমি অধিগ্রহণের কাজ এখনো শুরু হয়নি।

জাইকার ২০২২ সালের সমীক্ষা অনুযায়ী, এই মহাসড়কের বিভিন্ন বাজার এলাকায় অবৈধ দখল, অস্থায়ী দোকানপাট ও ধীরগতির যানবাহনের কারণে দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হচ্ছে, যা যাত্রী ও পণ্য পরিবহনে বড় বাধা। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর চালু হলে এই মহাসড়কের গুরুত্ব আরও বহুগুণ বাড়বে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের মধ্যে যোগাযোগ সহজ হওয়ার পাশাপাশি পণ্য পরিবহন আরও নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন হবে।


প্রতিদিনের বান্দরবান

সম্পাদক ও প্রকাশকের কার্যালয়ঃ
কপিরাইট © ২০২৬ প্রতিদিনের বান্দরবান । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত