বান্দরবানের রুমা উপজেলায় ভারতের মিজোরাম থেকে নিজ এলাকায় ফিরে আসা বম পরিবারের সদস্য, বিভিন্ন পাড়ার অসহায়-দরিদ্র মানুষ এবং বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের পাশে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর রুমা জোন। মানবিক সহায়তার অংশ হিসেবে সম্প্রতি ফেরত আসা পরিবারগুলোকে নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী ও আর্থিক সহায়তা প্রদানের পাশাপাশি স্থানীয়দের শিক্ষা ও কারিগরি প্রশিক্ষণের মাধ্যমে স্বাবলম্বী করে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, সম্প্রতি ভারতের মিজোরাম থেকে রুমা উপজেলার বিভিন্ন পাড়ায় বেশ কিছু বম পরিবারের সদস্য নিজ বসতভিটায় ফিরে এসেছেন। এর মধ্যে রয়েছে:
ফিরে আসা এসব পরিবারের পুনর্বাসনের জন্য রুমা জোনের পক্ষ থেকে চাল, ডাল, তেল, লবণ, আলু, পেঁয়াজ, রান্নার সামগ্রী, সোলার সিস্টেম ও নগদ অর্থসহ প্রয়োজনীয় উপকরণ প্রদান করা হয়।
এছাড়াও মুন্নুয়াম পাড়ার লাল রুয়াদ্দান বম, অ্যালভেজ বম, ফ্লেক্স বম ও জেনিবিশ বমের মধ্যে স্বাবলম্বী হওয়ার লক্ষ্যে মোট ১২টি ছাগল ও বসতঘর মেরামতের জন্য ১২টি টিন বিতরণ করা হয়। একই সঙ্গে মুনলাই পাড়ার জিং যোফ কিমকে নগদ আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়েছে।
বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের প্রধান ধর্মীয় উৎসব প্রবারণা পূর্ণিমা উদযাপন উপলক্ষে মারমা ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন এবং বড়ুয়া পাড়ার বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের নগদ অর্থ সহায়তা দেওয়া হয়েছে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে স্থানীয় সম্প্রদায়ের ধর্মীয় উৎসবের আনন্দ ভাগ করে নিয়েছে সেনাবাহিনী।
এদিকে রুমারচর নিচের পাড়ার মৃত মংচাইসিং মার্মার দুই মেয়ের ভবিষ্যৎ গঠনে বিশেষ সহায়তার আশ্বাস দিয়েছে রুমা জোন। এর মধ্যে ছোট মেয়ে হ্লা খিং প্রু মার্মার পড়াশোনার সম্পূর্ণ খরচ বহন এবং বড় মেয়ে মেসিংউ মার্মাকে দর্জি প্রশিক্ষণের মাধ্যমে আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দুর্গম পাহাড়ে অসহায় ও দরিদ্র মানুষের জীবনমান উন্নয়ন, মিজোরামফেরত পরিবারগুলোর পুনর্বাসন, ধর্মীয় উৎসবে সহযোগিতা এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টিতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর রুমা জোনের এই মানবিক কার্যক্রম প্রশংসনীয় ভূমিকা রাখছে।

মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ অক্টোবর ২০২৬
বান্দরবানের রুমা উপজেলায় ভারতের মিজোরাম থেকে নিজ এলাকায় ফিরে আসা বম পরিবারের সদস্য, বিভিন্ন পাড়ার অসহায়-দরিদ্র মানুষ এবং বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের পাশে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর রুমা জোন। মানবিক সহায়তার অংশ হিসেবে সম্প্রতি ফেরত আসা পরিবারগুলোকে নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী ও আর্থিক সহায়তা প্রদানের পাশাপাশি স্থানীয়দের শিক্ষা ও কারিগরি প্রশিক্ষণের মাধ্যমে স্বাবলম্বী করে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, সম্প্রতি ভারতের মিজোরাম থেকে রুমা উপজেলার বিভিন্ন পাড়ায় বেশ কিছু বম পরিবারের সদস্য নিজ বসতভিটায় ফিরে এসেছেন। এর মধ্যে রয়েছে:
ফিরে আসা এসব পরিবারের পুনর্বাসনের জন্য রুমা জোনের পক্ষ থেকে চাল, ডাল, তেল, লবণ, আলু, পেঁয়াজ, রান্নার সামগ্রী, সোলার সিস্টেম ও নগদ অর্থসহ প্রয়োজনীয় উপকরণ প্রদান করা হয়।
এছাড়াও মুন্নুয়াম পাড়ার লাল রুয়াদ্দান বম, অ্যালভেজ বম, ফ্লেক্স বম ও জেনিবিশ বমের মধ্যে স্বাবলম্বী হওয়ার লক্ষ্যে মোট ১২টি ছাগল ও বসতঘর মেরামতের জন্য ১২টি টিন বিতরণ করা হয়। একই সঙ্গে মুনলাই পাড়ার জিং যোফ কিমকে নগদ আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়েছে।
বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের প্রধান ধর্মীয় উৎসব প্রবারণা পূর্ণিমা উদযাপন উপলক্ষে মারমা ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন এবং বড়ুয়া পাড়ার বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের নগদ অর্থ সহায়তা দেওয়া হয়েছে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে স্থানীয় সম্প্রদায়ের ধর্মীয় উৎসবের আনন্দ ভাগ করে নিয়েছে সেনাবাহিনী।
এদিকে রুমারচর নিচের পাড়ার মৃত মংচাইসিং মার্মার দুই মেয়ের ভবিষ্যৎ গঠনে বিশেষ সহায়তার আশ্বাস দিয়েছে রুমা জোন। এর মধ্যে ছোট মেয়ে হ্লা খিং প্রু মার্মার পড়াশোনার সম্পূর্ণ খরচ বহন এবং বড় মেয়ে মেসিংউ মার্মাকে দর্জি প্রশিক্ষণের মাধ্যমে আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দুর্গম পাহাড়ে অসহায় ও দরিদ্র মানুষের জীবনমান উন্নয়ন, মিজোরামফেরত পরিবারগুলোর পুনর্বাসন, ধর্মীয় উৎসবে সহযোগিতা এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টিতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর রুমা জোনের এই মানবিক কার্যক্রম প্রশংসনীয় ভূমিকা রাখছে।

আপনার মতামত লিখুন