বান্দরবানের থানচি উপজেলার বলীপাড়া বাজারে এক ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ১৩টি দোকান সম্পূর্ণ পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। গত মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬) দিবাগত রাত আনুমানিক ৪টার দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের দাবি, এই অগ্নিকাণ্ডে তাদের প্রায় ১ কোটি ৫০ লাখ টাকার আর্থিক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ভোররাতে বাজারের দায়িত্বে থাকা চৌকিদার প্রথম একটি দোকানে আগুন জ্বলতে দেখেন। মুহূর্তের মধ্যে আগুনের লেলিহান শিখা চারপাশের দোকানগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন পুলিশ, বিজিবি এবং ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা। সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় প্রায় এক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়।
বলীপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জিয়াঅং মারমা জানান, আগুনে পুড়ে যাওয়া ১৩টি দোকানের মালামালসহ আনুমানিক দেড় কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে।
স্থানীয় ব্যবসায়ী উহ্লাশৈ ক্ষোভ ও দুঃখ প্রকাশ করে জানান, এই বাজারে অগ্নিকাণ্ড যেন একটি নিয়মিত বিপর্যয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর আগে:২০২০ সালে: ১০৯টি দোকান পুড়েছিল।২০২৩ সালে: ৫০টি দোকান ভস্মীভূত হয়।২০২৫ সালে: ১৩টি দোকান আগুনে বিনষ্ট হয়।চলতি বছর (২০২৬): আবারও ১৩টি দোকান পুড়ল।বারবার এমন অগ্নিকাণ্ডের কারণে বলীপাড়ার ব্যবসায়ীরা এখন চরম অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের মুখে পড়েছেন।
ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী বিন্দু চাকমা জানান, রাতে কোনো ব্যবসায়ীই দোকানে থাকেন না। তবে কোনো দোকানে ফ্রিজ চালু রেখে যাওয়ার কারণে সৃষ্ট বৈদ্যুতিক ত্রুটি বা বিস্ফোরণ থেকে এই আগুনের সূত্রপাত হতে পারে।
থানচি ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের স্টেশন মাস্টার রহিদুল ইসলাম মৃধা বলেন, "প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকেই আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। তবে সঠিক ও প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হতে তদন্ত চলছে।"

শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বান্দরবানের থানচি উপজেলার বলীপাড়া বাজারে এক ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ১৩টি দোকান সম্পূর্ণ পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। গত মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬) দিবাগত রাত আনুমানিক ৪টার দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের দাবি, এই অগ্নিকাণ্ডে তাদের প্রায় ১ কোটি ৫০ লাখ টাকার আর্থিক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ভোররাতে বাজারের দায়িত্বে থাকা চৌকিদার প্রথম একটি দোকানে আগুন জ্বলতে দেখেন। মুহূর্তের মধ্যে আগুনের লেলিহান শিখা চারপাশের দোকানগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন পুলিশ, বিজিবি এবং ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা। সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় প্রায় এক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়।
বলীপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জিয়াঅং মারমা জানান, আগুনে পুড়ে যাওয়া ১৩টি দোকানের মালামালসহ আনুমানিক দেড় কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে।
স্থানীয় ব্যবসায়ী উহ্লাশৈ ক্ষোভ ও দুঃখ প্রকাশ করে জানান, এই বাজারে অগ্নিকাণ্ড যেন একটি নিয়মিত বিপর্যয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর আগে:২০২০ সালে: ১০৯টি দোকান পুড়েছিল।২০২৩ সালে: ৫০টি দোকান ভস্মীভূত হয়।২০২৫ সালে: ১৩টি দোকান আগুনে বিনষ্ট হয়।চলতি বছর (২০২৬): আবারও ১৩টি দোকান পুড়ল।বারবার এমন অগ্নিকাণ্ডের কারণে বলীপাড়ার ব্যবসায়ীরা এখন চরম অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের মুখে পড়েছেন।
ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী বিন্দু চাকমা জানান, রাতে কোনো ব্যবসায়ীই দোকানে থাকেন না। তবে কোনো দোকানে ফ্রিজ চালু রেখে যাওয়ার কারণে সৃষ্ট বৈদ্যুতিক ত্রুটি বা বিস্ফোরণ থেকে এই আগুনের সূত্রপাত হতে পারে।
থানচি ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের স্টেশন মাস্টার রহিদুল ইসলাম মৃধা বলেন, "প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকেই আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। তবে সঠিক ও প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হতে তদন্ত চলছে।"

আপনার মতামত লিখুন