টাঙ্গাইলের বাসাইলে ১০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণাধীন একটি পিএসসি গার্ডার সেতুর ফুটপাতের স্ল্যাব ঢালাইয়ে রডের পরিবর্তে বাঁশ ব্যবহারের ঘটনায় উপজেলা প্রকৌশলী কাজী ফাত্তাউর রহমানকে তাৎক্ষণিক বদলি (স্ট্যান্ড রিলিজ) করা হয়েছে। তাকে বান্দরবানের রোয়াংছড়ি উপজেলায় সংযুক্ত করা হয়েছে।
একই ঘটনায় দায়িত্ব অবহেলার দায়ে উপজেলা প্রকৌশলী কার্যালয়ের কার্যসহকারী মো. হাসমত আলীকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করেছে কর্তৃপক্ষ।
এ ছাড়া জেলা এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলীসহ আরও দুই প্রকৌশলীকে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, পুলিশ অভিযান চালিয়ে এই জালিয়াতির সঙ্গে জড়িত সাব-ঠিকাদার শাহ আলমকে গ্রেফতার করেছে।
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) প্রধান প্রকৌশলী মো. বেলাল হোসেনের সই করা এক অফিস আদেশের মাধ্যমে গত ২৪ সেপ্টেম্বর এই শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ২০২২ সালের সেপ্টেম্বর মাসে বাসাইল পৌরসভার মাইজখাড়া এলাকায় মরাগাঙ্গী নদীর ওপর এই সেতুটির নির্মাণকাজ শুরু হয়। গত ২০ সেপ্টেম্বর রাতে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের লোকজন সেতুর ফুটপাতের স্ল্যাব তৈরিতে রডের বদলে বাঁশের চটা দিয়ে ঢালাইয়ের কাজ শুরু করে।
স্থানীয় বাসিন্দারা বিষয়টি হাতেনাতে ধরে বাধা দেন এবং ঘটনার ভিডিও ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দিলে দেশজুড়ে তীব্র ক্ষোভ ও সমালোচনার ঝড় ওঠে।
বিষয়টি নজরে আসার পর প্রশাসন ও দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) প্রাথমিক তদন্তে অনিয়মের সত্যতা মেলে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে ইতিমধ্যেই সেতুর সেই ক্ষতিগ্রস্ত ও ত্রুটিপূর্ণ অংশ ভেঙে ফেলা হয়েছে এবং নতুন করে রড দিয়ে আবার ঢালাইয়ের কাজ শুরু করা হয়েছে। জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুরো প্রকল্পের কাজ কঠোর নজরদারিতে রাখা হয়েছে বলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
টাঙ্গাইলের বাসাইলে ১০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণাধীন একটি পিএসসি গার্ডার সেতুর ফুটপাতের স্ল্যাব ঢালাইয়ে রডের পরিবর্তে বাঁশ ব্যবহারের ঘটনায় উপজেলা প্রকৌশলী কাজী ফাত্তাউর রহমানকে তাৎক্ষণিক বদলি (স্ট্যান্ড রিলিজ) করা হয়েছে। তাকে বান্দরবানের রোয়াংছড়ি উপজেলায় সংযুক্ত করা হয়েছে।
একই ঘটনায় দায়িত্ব অবহেলার দায়ে উপজেলা প্রকৌশলী কার্যালয়ের কার্যসহকারী মো. হাসমত আলীকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করেছে কর্তৃপক্ষ।
এ ছাড়া জেলা এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলীসহ আরও দুই প্রকৌশলীকে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, পুলিশ অভিযান চালিয়ে এই জালিয়াতির সঙ্গে জড়িত সাব-ঠিকাদার শাহ আলমকে গ্রেফতার করেছে।
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) প্রধান প্রকৌশলী মো. বেলাল হোসেনের সই করা এক অফিস আদেশের মাধ্যমে গত ২৪ সেপ্টেম্বর এই শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ২০২২ সালের সেপ্টেম্বর মাসে বাসাইল পৌরসভার মাইজখাড়া এলাকায় মরাগাঙ্গী নদীর ওপর এই সেতুটির নির্মাণকাজ শুরু হয়। গত ২০ সেপ্টেম্বর রাতে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের লোকজন সেতুর ফুটপাতের স্ল্যাব তৈরিতে রডের বদলে বাঁশের চটা দিয়ে ঢালাইয়ের কাজ শুরু করে।
স্থানীয় বাসিন্দারা বিষয়টি হাতেনাতে ধরে বাধা দেন এবং ঘটনার ভিডিও ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দিলে দেশজুড়ে তীব্র ক্ষোভ ও সমালোচনার ঝড় ওঠে।
বিষয়টি নজরে আসার পর প্রশাসন ও দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) প্রাথমিক তদন্তে অনিয়মের সত্যতা মেলে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে ইতিমধ্যেই সেতুর সেই ক্ষতিগ্রস্ত ও ত্রুটিপূর্ণ অংশ ভেঙে ফেলা হয়েছে এবং নতুন করে রড দিয়ে আবার ঢালাইয়ের কাজ শুরু করা হয়েছে। জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুরো প্রকল্পের কাজ কঠোর নজরদারিতে রাখা হয়েছে বলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন